“এখন জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করাতে পারে একমাত্র এরাই”, কাদের নাম নিলেন কল্যাণ?

Published:

Kalyan On Gyanesh

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কলকাতা থেকে শুরু করে দিল্লি, বিহার, পাঞ্জাব সহ প্রায় সর্বত্রই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) পদত্যাগের দাবিতে চলছে আন্দোলন। সময়ের সাথে সাথে বড় আকার নিচ্ছে বিক্ষোভ। এমতাবস্থায়, চাপের মুখে কি নিজে থেকেই পদ ছাড়বেন জ্ঞানেশ? এমন প্রশ্নের মাঝেই এবার তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। তিনি একেবারে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তৃণমূল বা কংগ্রেস নয় বরং জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে পারে একমাত্র ককরোচ জনতা পার্টি।

জ্ঞানেশ কুমারকে সরাবে CJP?

সম্প্রতি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদন ঘিরে তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল গোটা দেশ। ওই প্রতিবেদনে খুব পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছিল, দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার SIR সহ একাধিক নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার বিবেক যোশী এবং সুখবীর সিং সান্ধুকে না জানিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এও দাবি করা হয়েছে, গত দশ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বেশ কিছু পদক্ষেপের বিরুদ্ধে 14 বার লিখিতভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্তু তাতেও কর্ণপাত করেননি তিনি!

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বিতর্কিত খবর প্রকাশ্যে আসতেই সরব হয় বিরোধীরা। ফের ময়দানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। সাংবাদিক সম্মেলন করে তাঁরা জানিয়ে দেয়, 48 ঘণ্টার মধ্যে নিজে থেকে জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ফের দেশব্যাপী আন্দোলনে নামবে তাঁরা। এদিকে কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধীদের তরফে কলকাতা থেকে শুরু করে দিল্লি, বিহারের পাটনা, পাঞ্জাব, অসমের মতো রাজ্যে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। ঠিক সেই আবহে বড় মন্তব্য করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: শ্রীরামপুরে মমতার সভায় যাওয়ার পথে আক্রান্ত কুণাল ঘোষ, গাড়ি লক্ষ্য করে ছোঁড়া হল পাথর, ডিম

মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদের দাবি, তৃণমূল বা কংগ্রেসকে দিয়ে কাজ হবে না। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ করবেন একমাত্র CJP পথে নামলে। তাঁর কথায়, “আমাদের লোক বিক্রি হয়ে গিয়েছে। কংগ্রেসকে দিয়েও হবে না। আমরা নিঃসন্দেহে চেষ্টা করব তবে আউটকাম কী আসবে সেটা জানিনা। কিন্তু CJP যদি আন্দোলনে নামে আমি বলতে পারি কুইক ডিসপোসাল হবে। আসলে ওদের আন্দোলনটা তুখোড় আন্দোলন। ওদের আন্দোলন ইয়ুথের আন্দোলন। ওরা জানপ্রাণ দিয়ে লড়ে। আমাদের কি আর জানপ্রাণ দিয়ে লড়ার লোক আছে? আমাদের তো অর্ধেকের বেশি রাজনীতিবিদ বিক্রি হয়ে গেছে।” কল্যাণের বক্তব্য, তাঁদের অনেক কিছু চাওয়ার থাকলেও CJP অর্থাৎ যুব সমাজের আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে কিছু চাওয়ার নেই ব্যক্তিগতভাবে। তাই তাঁদের আন্দোলনই সফলতার আলো দেখাবে।

google button