সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞনেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গোটা দেশজুড়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিল ককরোচ জনতা পার্টি। তবে আপাতত দলের নেতা অভিজিত দীপকে এই আন্দোলন স্থগিত রাখার ঘোষণা করেছেন। নির্দিষ্ট কোনও কারণ এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি। তবে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেত্রী নেহা বোরা (Neha Bora) এবার নিজেকে ককরোচদের আন্দোলন থেকে সরিয়ে নিলেন। দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে সিজেপির আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি ছিলেন না বলেই আদালতে করলেন দাবি।
সিজেপির প্রতিবাদ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিলেন নেহা বোরা
সম্প্রতি হাইকোর্টে নেহা বোরার বিরুদ্ধে একটি মামলার শুনানিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। তাঁর পক্ষ থেকে উপস্থিত প্রবীণ আইনজীবী শঙ্কনারায়ণ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে অন্য কোনও সংগঠনের ডাকে আয়োজিত বিক্ষোভে নেহা যুক্ত ছিলেন না। তিনি শুধুমাত্র মান্ডি হাউসে নিজের সংগঠনের সভা বা কর্মসূচির আহ্বানেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এমনকি আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, নেহা আদালতকে জানিয়েছিলেন “আমি একটা জিনিস পরিষ্কার করতে চাই যে সিটি সেন্ট্রাল পার্কের ওই বিক্ষোভে তিনি অংশ নেননি। সেটি অন্য কোনও সংগঠন ডেকেছিল। তার সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্ক নেই।”
এদিকে নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার কথিত অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ ইতিমধ্যেই নেহা বোরাকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বন্ড জমা দেওয়ার নোটিশ পাঠিয়েছিল। তবে পুলিশের সেই নোটিশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি দিল্লি হাইকোর্টের দারস্ত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: পুরভোটের আগেই তৃণমূলের তিন হেভিওয়েট নেত্রী বিজেপিতে? জানিয়ে দিলেন শমীক ভট্টাচার্য
এদিন শুনানির সময় তাঁর আইনজীবী বলেন যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারের কাজে সমালোচনা করা আর প্রতিবাদ জানানো নাগরিকদের মৌলিক অধিকার। নেহা বোরা কখনও জনসভা বা মঞ্চ থেকে সহিংসতার প্ররোচনা দেননি। তাঁর সমস্ত প্রতিবাদ সবসময় শান্তিপূর্ণ এবং সুশৃঙ্খল ছিল। যদিও সিজেপির নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রঙ্কাকে গতকাল তিহার জেল থেকে মুক্তি দেওয়ার পরও আজ দিল্লি পুলিশের সাইবার ব্রাঞ্চের তরফ থেকে তাঁদের তলব করা হয়েছে।










