নির্বাচনের পরই দাম বাড়বে পেট্রোল, ডিজেলের? জানাল সরকার

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সহ 5 রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্বাচন শেষ হলেই বেড়ে যাবে পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম (Oil Price In India)! সাম্প্রতিক সময়ে এমন জল্পনাই মাথাচাড়া দিয়েছে নানা মহলে। এবার তা নিয়েই প্রতিক্রিয়া দিল ভারত সরকার। কেন্দ্রের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় এই ধরনের খবরের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, এই ধরনের খবর বা প্রতিবেদন সম্পূর্ণ ভুয়ো। ভোট মিটে গেলেই জ্বালানির দাম বাড়ানো হবে এমন কোনও প্রকল্প সরকারের নেই।

পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম নিয়ে ঠিক কী জানাল পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক?

সম্প্রতি X হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জানিয়েছে, এক প্রতিবেদনে পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে একাধিক সব দাবি করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, 5 রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভোট পর্ব মিটে গেলেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে! স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে এমন কোনও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়নি। দেশবাসীর মধ্যে ভয় এবং আতঙ্ক তৈরি করার জন্য ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্যই এমন খবর ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর।

এদিন পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে এও জানানো হয়, এই মুহূর্তে ভারতই একমাত্র দেশ যেখানে গত চার বছরে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়েনি! ভারত সরকার এবং তেল পিএসইউগুলি আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য বৃদ্ধি থেকে ভারতীয় নাগরিকদের রক্ষা করেছে। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির চাপ সাধারণ মানুষের পকেটে পড়তে দেয়নি।

 

অবশ্যই পড়ুন: মুম্বইয়ের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে আসছে টেসলা, বড় ঘোষণা মাস্কের সংস্থার

ভাইরাল হওয়া প্রতিবেদনে কী দাবি করা হয়েছিল?

বলে রাখি, কোটাক ইনস্টিটিউশনাল ইকুইটিজের একটি প্রতিবেদনে একেবারে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে 25 থেকে 28 টাকা বাড়ানো হতে পারে। ওই প্রতিবেদনে এও দাবি করা হয়, অপরিশোধিত তেল বিশ্ব বাজারে ব্যারেল প্রতি প্রায় 120 ডলারে বিক্রি হওয়ার কারণে তেল কোম্পানি এবং সরকারের উপর ব্যাপক আর্থিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল কোম্পানিগুলির প্রতিমাসে প্রায় 27,000 কোটি টাকার ক্ষতি জয়। এই পরিস্থিতি বেশিদিন চলতে পারে না। সরকার আবার 10 শতাংশ অবগারি শুল্ক কমিয়েছে। কিন্তু এসব কোনও স্থায়ী সমাধান নয়। এবার কেন্দ্রের তরফে প্রতিবেদনে উল্লেখিত সমস্ত দাবি নস্যাৎ করা হলো।