জেলেও অশ্লীল কাণ্ড! প্রজ্বল রেভান্নার ফোনে মিলল ১৪৫টির বেশি পর্ন ক্লিপ ও সিনেমা

Published:

Prajwal Revanna

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বেঙ্গালুরুর পরপ্পানা অগ্রহারা সেন্ট্রাল জেলের উচ্চ নিরাপত্তা সেলে বন্দী রয়েছেন ধর্ষণে সাজাপ্রাপ্ত রাজ্যের প্রাক্তন সাংসদ প্রজ্জ্বল রেভান্না (Prajwal Revanna)। তবে এবার সেই সেলের ভেতরেই মিলল নিরাপত্তার গাফিলতির প্রমাণ। পুলিশ সূত্রে খবর, রেভান্নার সেল থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং পেনড্রাইভে নাকি ১৪৫টির বেশি পর্নোগ্রাফি ভিডিও এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সিনেমা পাওয়া গিয়েছে। নিরাপত্তার গাফিলতির এই চাঞ্চল্যকর তথ্য শনিবার পুলিশের পক্ষ থেকে পেশ করা হয়েছে বলেই খবর।

বেঙ্গালুরুর জেল থেকে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১১ আগস্ট সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ জেলের নিরাপত্তা বিভাগে আচমকা তল্লাশি চালায়। আর সেই সময় প্রজ্জ্বল রেভান্না এবং পকসো আইনে বিচারাধীন বন্দি প্রতাপ রায়ের সেল থেকে একটি মোবাইল ফোন, একটি পেনড্রাইভ, একটি সিম কার্ড, চার্জার এবং একটি নোটবুক উদ্ধার করা হয়। তবে ডিভাইসগুলি ফরেনসিক তদন্তে পাঠানো হলে রিপোর্টে দেখা যায় যে, ওই মোবাইলে ১৪৫টির বেশি আপত্তিকর ভিডিও এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সিনেমা ও সিরিজ রয়েছে। এমনকি পেনড্রাইভটিতে শতাধিক ভিডিও ক্লিপ পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি পুলিশের।

তবে ওই ডিভাইস উদ্ধারের পাশাপাশি ফোনের কল রেকর্ড ঘেঁটে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, জেলের ভেতর থেকেই বেআইনিভাবে বাইরের দুনিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন ওই অভিযুক্ত। এমনকি তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি এক বান্ধবীর সঙ্গেও সরাসরি ফোনে কথা বলতেন তিনি। সেল থেকে উদ্ধার হওয়া নোটবুকে পরিবার আর বান্ধবী মিলিয়ে মোট ৬ থেকে ৭টি ফোন নম্বর লেখা ছিল। জিজ্ঞাসাবাদের সময় রেভান্না নোটবুকটি নিজের বলে স্বীকার করলেও মোবাইলটি নিজের বলে অস্বীকার করেছেন।

আরও পড়ুন: জ্ঞানেশ কন্যাকে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ, এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মেধা রূপম

তবে পুলিশ জানিয়েছে, ফোনের কল লিস্টে থাকা নম্বরগুলির মালিকদের নোটিশ পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হবে। আর কী পরিস্থিতিতে তাদের সঙ্গে কথা হতো তাও খতিয়ে দেখা হবে। জেলের মতো উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত জায়গায় কীভাবে এরকম নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক জিনিসপত্র পৌঁছল তার তদন্তে নেমে শুক্রবার পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে ইলেকট্রনিক সিটি থানার পুলিশ। পাশাপাশি তদন্তে উঠে এসেছে যে, জেলেরই একজন কর্মকর্তা ওই মোবাইল ফোনটি ভেতরে পাচার করতে সাহায্য করেছিলেন এবং অন্য এক বন্দি সিম কার্ডের ব্যবস্থা করে দিয়েছিল।