সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এবার সকল মন্ত্রীদের বেতনের (Salary) ওপর কোপ পড়তে চলেছে বলে খবর। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। প্রকৃতপক্ষে, রাজ্য সরকার বর্তমানে প্রায় ১৪,০০০ কোটি টাকার এক বিরাট আর্থিক বোঝা ও দেনার সম্মুখীন হয়ে রয়েছে। যার মধ্যে পেনশনভোগীদের ৮,০০০ কোটি টাকা এবং কর্মরত কর্মচারীদের ৬,২০০ কোটি টাকা পাওনা বকেয়া রয়েছে। পূর্ববর্তী সরকারের আমল থেকে বকেয়া থাকা এই অর্থ পরিশোধ নিশ্চিত করতে মন্ত্রিসভা একটি ১০০ দিনের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। যেখানে রাজ্যের মন্ত্রীদের ২৫ শতাংশ বেতন কম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলুন আরও বিশদে জেনে নেবেন।
৫০% বেতন কাটার প্রস্তাব!
আসলে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি একটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন, যেখানে সরকার একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৈঠকে রাজ্য সরকার কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া পরিশোধের ঘোষণা করেছে। দরকার পড়লে মন্ত্রীদের ৫০ শতাংশ বেতন কম দেওয়ার ক্ষেত্রেও পিছু হটবে না সরকার। সরকার ১০০ দিনের মধ্যে ১৪,২০০ কোটি টাকা পরিশোধের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এই অর্থের মধ্যে অবসরকালীন সুবিধা বাবদ প্রায় ৮,০০০ কোটি টাকা এবং কর্মচারীদের বকেয়া বিল বাবদ ৬,২০০ কোটি টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
విశ్రాంత ఉద్యోగులకు ప్రజా ప్రభుత్వం శుభవార్త
గత పదేళ్లుగా పెండింగ్లో ఉన్న రూ.6200 కోట్ల
బకాయిలను 100 రోజుల్లో చెల్లించేందుకు కార్యాచరణ
మంత్రుల జీతాల్లో 50 శాతం కోత విధించి నిధులు సర్దుబాటు
చెల్లింపుల కోసం ప్రత్యేకంగా మొబిలైజేషన్ కమిటీ ఏర్పాటు
వచ్చే నెల 4న కేబినెట్… pic.twitter.com/GCEJki1I9x
— Telangana Congress (@INCTelangana) April 24, 2026
বৈঠকের পর তথ্য জানাতে গিয়ে তথ্য ও জনসংযোগ মন্ত্রী পোঙ্গুলেটি শ্রীনিবাস রেড্ডি বলেন যে, কর্মচারীদের বকেয়া পরিশোধের জন্য সব মন্ত্রীই ৫০ শতাংশ বেতন কম নিতে ইচ্ছুক। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, এই বকেয়া প্রায় ১০ বছর ধরে বকেয়া রয়েছে এবং সরকার যত দ্রুত সম্ভব তা নিষ্পত্তি করতে চায়। সরকার বলছে যে, বিশেষ ব্যবস্থা করা হচ্ছে যাতে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের তাদের বকেয়া দাবি করার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ছোটাছুটি করতে না হয়।
বিরাট পরিকল্পনা সরকারের
তবে, আর্থিক প্রতিবন্ধকতা স্বীকার করে সরকার অন্যান্য উৎস থেকেও তহবিল সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে। বকেয়া পরিশোধের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে মন্ত্রিসভা একটি উপ-কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই কমিটি একটি সমাধান খুঁজে বের করার জন্য কর্মচারী সংগঠন, শিক্ষক ইউনিয়ন এবং পেনশনভোগী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে। এদিকে বকেয়া না পেয়ে পরিবহণ কর্মীরাও বিক্ষোভ, ধর্মঘটে সামিল হয়েছেন। যদিও মন্ত্রিসভা স্টেট ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (আরটিসি) কর্মীদের ধর্মঘট শেষ করার জন্য আবেদন করেছে এবং তাদের আশ্বাস দিয়েছে যে তাদের দাবির বিষয়ে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।










