সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এবার ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের (Abhijeet Dipke) বাবার আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সুরাটের এক আরটিআই কর্মী। একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে অভিজিৎকে বিদেশে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার খরচ যোগাতে পারলেন তাঁর বাবা? এই দাবি তুলেই কেন্দ্রীয় জিএসটি কর্মকর্তাদের কাছে সিজেপির আইনি অবস্থা এবং তহবিলের বিষয়ে তদন্ত করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
অভিজিৎ দীপকের বাবার আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত
আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারি মহারাষ্ট্র সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী তথা অভিজিৎ দীপকের বাবা ভগবান রাও দীপকের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েই তদন্তের দাবি জানিয়ে কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি লিখেছেন। তাঁর দাবি, ভগবান রাও দীপকে একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও তাঁর ছেলেকে কীভাবে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠাতে সক্ষম হলেন? তবে শুধু এই অভিযোগ নয়। এর পাশাপাশি আরও তিনটি অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।
সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে অমিত তিওয়ারি স্পষ্টভাবে জানান, “আমি মহারাষ্ট্র সরকারের কাছেও অভিযোগ করেছি যে ভগবান রাও দীপকে এমআইডিসি-তে একজন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। সুতরাং যদি তিনি ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা বেতন পেতেন, তাহলে তিনি কীভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর সন্তানদের পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতেন? আমরা মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে অবিলম্বে এই বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। যদি এটি আয় বহির্ভূত সম্পদের মামলা হয়, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
আরও পড়ুন: দীঘায় গিয়ে বাগদান, দিত গোপন খবর, জঙ্গি হামিদের সাথে আসল সম্পর্ক কী অর্পিতার?
#WATCH | Surat, Gujarat: RTI activist Amit Tiwari says, “I have filed a complaint at three different locations. I have complained against CJP at ECI. Regarding the Rs 1 Crore fund by Kapil Sibal, I have complained to CBIC (Central Board of Indirect Taxes and Customs) that 18% GST… pic.twitter.com/TYDy9Iy6cN
— ANI (@ANI) August 2, 2026
এর পাশাপাশি ককরোচ জনতা পার্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে তিনি বলেছেন, “সিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ বলতে গেলে যদি তারা একটি রাজনৈতিক দলের মতো কাজ করে, অর্থাৎ অনুদান নিচ্ছে কিন্তু নিবন্ধিত নয়, তাহলে তাদের ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২৯এ ধারার আওতায় নিবন্ধিত হতে হবে। আমরা তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। কারণ, নিবন্ধিত না হওয়া সত্ত্বেও কপিল সিব্বলের দেওয়া ১ কোটি টাকা পার্টির ফান্ডে জমা পড়ার অভিযোগ রয়েছে। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রবীণ আইনজীবী তাদেরকে এই অর্থ সহায়তা করেছিল।”










