বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এবার বড়সড় পদক্ষেপ নিল পাকিস্তান (Pakistan)। গোটা বিশ্ববাজারের অস্থিরতার মধ্যেই এবার সরকারি খরচ বাঁচাতে পাকিস্তানের সরকারি আধিকারিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের গাড়ি কেনার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইসলামাবাদ (Pakistan Fuel Crisis)! এখানেই শেষ নয়, পাকিস্তানের সরকারি আধিকারিক থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা আপাতত বিদেশ ভ্রমণও করতে পারবেন না। খুব প্রয়োজনে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে লাগবে সরকারি অনুমতি। এসব ছাড়াও জ্বালানির খরচ কমাতে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে পাক সরকার।
জ্বালানির খরচ বাঁচাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল পাকিস্তান!
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোটা বিশ্ববাজারে জ্বালানি নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার প্রভাব পড়েছে পশ্চিমের দেশেও। আর ঠিক সেই কারণেই এবার জ্বালানির খরচ কমাতে সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে ফেলল পাকিস্তান সরকার। জানা যাচ্ছে, শেহবাজ শরীফ সরকারের কৃচ্ছ্রসাধনমূলক পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য সরকারি ক্ষেত্রে জ্বালানির খরচ কমানো। সেই উদ্দেশ্যেই এবার প্রতিবেশী দেশটির বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের নতুন গাড়ি কেনার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।
এখানেই শেষ নয়, সরকারি আধিকারিকদের বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার সাথে সাথে বর্তমানে থাকা সরকারি গাড়িগুলির জ্বালানি বরাদ্দ কমানোর সিদ্ধান্তও নিয়েছে পশ্চিমের দেশ। পাশাপাশি সিদ্ধান্ত হয়েছে সরকারি নৈশভোজ বন্ধ রাখার। এছাড়াও, পাকিস্তানে বাজার এবং সমস্ত ধরনের রেস্তোরাঁ রাত নটার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ জারি হয়েছে। তবে পাকিস্তানের ঠিক কোন কোন অঞ্চলের রেস্তোরাঁর ক্ষেত্রে এই নির্দেশিকা কার্যকর হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত বিস্তারিতভাবে কিছু জানা যায়নি।
আরও পড়ুন: “আমি তাঁর….” জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীকে মেলোনির বার্তা প্রকাশ্যে
ঠিক যে কারণে এমন সিদ্ধান্ত
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার কারণে প্রভাবিত হয়েছে বিশ্বের জ্বালানি ব্যবস্থা। ব্যহত হয়েছে জ্বালানি সরবরাহ। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী এবং লোহিত সাগর সংলগ্ন অঞ্চলে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রভাবিত হয়েছে পাকিস্তান। তাই জ্বালানির দাম বৃদ্ধির চাপ কমাতে একপ্রকার বাধ্য হয়েই সরকারি দপ্তরে নতুন গাড়ি কেনা থেকে শুরু করে সরকারি আধিকারিকদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার মতো পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে পাকিস্তান সরকারকে।










