সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামান্য আইফোনের জন্যই শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার। হাড়হিম করা ঘটনা মহারাষ্ট্রে (Maharashtra)। ১৮ বছর বয়সী এক যুবকের আইফোন কেনাকে কেন্দ্র করে বাবা-মায়ের সঙ্গে নিত্যদিনের ঝামেলার জেরেই পাহাড়ের খাদে পড়ে মৃত্যু হল পরিবারের তিনজন সদস্যেরই। সমাজ বদলালেও বদলায়নি মানুষের চিন্তাধারা। এখনকার যুগে সন্তান কী চায়, তা সেই বাবা-মা না বুঝতে পারলেই ঘটে চলেছে একের পর এক এরকম দুর্ঘটনা।
আইফোন কেনাকে কেন্দ্র করে এক পরিবারে তিনজনের মৃত্যু
বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রের সম্ভাজিনগরের কুণাল নামে ১৮ বছরের ওই যুবক ইএমআই-র মাধ্যমে একটি আইফোন কিনেছিল। তবে বর্তমানে সে বেকার হওয়ায় ইএমআই-র কিস্তির জন্য বাবার উপরে নির্ভর করতে হত তাঁকে। তবে প্রতি মাসে টাকা চাইতে গেলে তাঁর বাবাও রাগ করতেন। এমনকি জোর করে কেন সে আইফোন কিনল তা নিয়ে হত ঝগড়া। সেরকমই নিত্যদিনের মতো আজও বাবার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় কুণালের। তবে আত্মসম্মানে আঘাত লাগায় আজ আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়ে সোজা পাহাড়ের খাদের কাছে চলে যায় ওই যুবক।
19 साल के बच्चै की i Phone लेने की जीद ने खुद के साथ मां पाब की भी लेली जान 🥺🥺
महाराष्ट्र के छत्रपति साम्भाजीनगर की ए घटना है,
लड़का ने मां बाप को i phone लेने को बोला, मां बाप ने कहा बेटा अभी पैसे नय है बाद मै
इतने मे लड़का नारा हो कर पहाड़ की चौटी पर चड़गया, ओर मां बाप को… pic.twitter.com/A1Jewgfts6
— कलयुग का कंस (@KalyugKaKans) August 22, 2026
এমতাবস্থায় তাঁর বাবা-মাও তাঁর পিছু নিয়ে পাহাড়ের কাছে পৌঁছান। এমনকি সেখানে গিয়ে দীর্ঘ তিন ঘণ্টা ধরে ছেলেকে বোঝানোর চেষ্টা করেন তাঁরা। তবে তাতেও আত্মসম্মান বোধ করায় সেখান থেকে সরিয়ে আনা যায়নি ওই যুবককে। তবে এক সময় জোর করে তাঁর বাবা তাঁকে টেনে নিয়ে আসার চেষ্টা করায় আচমকা দু’জনই পাহাড়ের খাদে পড়ে যান। তবে বেদনাদায়ক ব্যাপার, স্বামী এবং ছেলেকে চোখের সামনে মরতে দেখে সেই পাহাড়ের খাদে নিজেই ঝাঁপ দেন মা। কার্যত, মুহূর্তের মধ্যে অন্ধকার নেমে আসে ওই পরিবারের উপর। একইসঙ্গে মৃত্যু হয় ৩ জনের।
আরও পড়ুন: মধ্যবিত্তের ধরাছোঁয়ার বাইরে! লাগামছাড়া বাড়ল সোনা, রুপোর দাম
ইতিমধ্যেই এই হাড়হিম করা দৃশ্যের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এমনকি জানলে অবাক হবেন, ঘটনাস্থলে ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তারাও। কিন্তু তাঁরাও ওই যুবককে বোঝাতে ব্যর্থ হন। এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, “বাবা-মা এবং অন্যান্যরা ওই যুবককে বোঝানোর চেষ্টা করলেও সে শোনেনি। আপ্রাণ চেষ্টা করছিলেন তাঁর বাবা-মা। কিন্তু সে না শুনে পাহাড়ের কিনারাতেই দাঁড়িয়েছিল। তবে স্বামী এবং সন্তানকে খাদে পড়ে যেতে দেখে মাও আত্মঘাতী হন।”










