সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আবারও বিরাট সাফল্য পেল ভারতীয় নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনী। দীর্ঘ পাঁচ দিন ধরে ৭ গ্রামে তল্লাশির পর নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর গুলিতে খতম হয়েছে লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ কমান্ডার জাকির গানাই (Terrorist Encounter)। এমনকি ঘটনাস্থল থেকে জঙ্গির দেহ উদ্ধারের পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে খবর। জানা যাচ্ছে, গোয়েন্দাদের হিট লিস্টে এ++ ক্যাটাগরিতে ছিল ওই কুখ্যাত জঙ্গি। এই এনকাউন্টার যে জম্মু-কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদী অভিযানে ভারতীয় নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর বিরাট সাফল্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
কাশ্মীরে জঙ্গি খতম
পুলিশ সূত্রে খবর, গত শুক্রবার সোপিয়ান জেলার একটি ফলের বাগানে নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর ক্যামেরায় দেখা গিয়েছিল দুই জঙ্গি জাকির এবং লতিফকে। আজ থেকে ৫ দিন আগে সইদপোরার ছানাপোরা এলাকায় তাদের গতিবিধি ধরা পড়ে। তারপরেই গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি অভিযান শুরু হয় গোটা এলাকায়। এমনকি চিরুনি তল্লাশি করা হয় সাতটি গ্রামে। সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ওই দুই জঙ্গি কাশ্মীরের কুলগ্রামের বাসিন্দ। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজে তাদেরকে ওই এলাকায় টহল মারতে দেখা যায়।
তবে নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনী জঙ্গিদের পালানোর সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে দেয়, এবং গোটা বাগান এলাকা ঘিরে ফেলে আজ তল্লাশি শুরু করে। এই অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, ভারতীয় সেনার রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভড পুলিশ বাহিনী বা সিআরপিএফ জওয়ানরা। জঙ্গিদের অবস্থান জানার পরেই নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনী এলাকা ঘিরে ফেললে দুই পক্ষের মধ্যে শুরু হয় গুলির লড়াই। দীর্ঘক্ষণ গুলি চলার পর এনকাউন্টারে এক জঙ্গিকে খতম করে বাহিনী, এবং পরে তার পরিচয় জানা যায়।
আরও পড়ুন: জয়জয়কার ভারতীয় বায়ুসেনার, চিন-জাপান-পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে বিশ্বে সেরা IAF
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কাশ্মীরে জঙ্গি কার্যকলাপ দমনে এই অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে। কারণ, গত কয়েক মাস ধরেই ধারাবাহিক ভাবে জঙ্গিদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে এই এলাকায়। কিন্তু নিহত জঙ্গি লস্কর কমান্ডার জাকিরের সহযোগী লতিফ কিনা, তা এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত করা হয়নি। এমনকি অস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী পরীক্ষা করে দেখছেন নিরাপত্তা রক্ষা আধিকারিকরা।










