সহেলি মিত্র, কলকাতা: সামাজিক মাধ্যমে একটি হৃদয়বিদারক ঘটনার ভিডিও (Viral Video) বর্তমানে ব্যাপক গতিতে ভাইরাল হচ্ছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, কীভাবে মানুষের ভুলের কারণে প্রাণ চলে গেল বহু ছাগলের। বুধবার দুপুরে লখনউ থেকে প্রয়াগরাজগামী ইন্টার-সিটি এক্সপ্রেসের ধাক্কায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি ছাগল মারা গেছে বলে খবর। এই ভিডিও এখন ব্যাপক ভাইরাল। হচ্ছে। ট্রেনটি দেখতে পেয়ে ছাগল চরানো মহিলারা সেগুলোকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু লাইন থেকে নামতে পারেননি। দ্রুত গতিতে ট্রেনকে আসতে দেখে মহিলারা কোনোমতে পালিয়ে নিজেদের জীবন বাঁচাতে সক্ষম হন। দুর্ঘটনার একটি ২১-সেকেন্ডের ভিডিও দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, এবং এটি হৃদয়বিদারক বলছেন সকলে।
ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু বহু ছাগলের
স্থানীয়দের মতে, হাতিগাওয়ান থানা এলাকার পুরে কৃষ্ণরাম বিশিয়া গ্রামের বাসিন্দা হরিলালের স্ত্রী সাবিত্রী, অশোক কুমার সরোজের স্ত্রী উর্মিলা এবং শ্যাম কুমারের স্ত্রী সাবিত্রী বুধবার দুপুরে গ্রামের বাইরে লখনউ-প্রয়াগরাজ রেললাইনের কাছে ছাগল চরাতে গিয়েছিলেন। সেই সময় মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয় এবং ছাগলগুলো রেললাইন পার হতে শুরু করে। এরপর লখনউ থেকে প্রয়াগরাজগামী ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে আসতে দেখা যায়। তখন রেলগেটের কাছে উপস্থিত এক যুবক চিৎকার করে ট্রেনের আসার খবর দেয় এবং তাদের দৌড়াতে বলে। এরপর ছাগলগুলোকে তাড়া করতে গিয়ে এক মহিলা ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে সামলে নিয়ে পালিয়েও যান।
ভাইরাল ভিডিও
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কীভাবে ট্রেনের ধাক্কায় ছাগলগুলো এদিক সেদিক হয়ে যাচ্ছে। এদিকে এই ঘটনার ট্রেনটি থামলে দুর্ঘটনার ভয়ে এতে বসে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। লালগোপালগঞ্জ থেকে আরপিএফ জওয়ানরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ট্রেনটি আবার চলতে শুরু করে। এই ঘটনায় হরিলালের দশটি, অশোকের আটটি এবং শ্যাম কুমারের সাতটি ছাগল মারা যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সাব-ইন্সপেক্টর প্রিন্স তিওয়ারি জানান, আরপিএফ পর্যায়ে তদন্তের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ বাংলার পর্যটনে আসবে জোয়ার! ১৩৫টি ঐতিহ্যবাহী স্থানের ভোল বদলের পরিকল্পনা সরকারের
অন্যদিকে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে প্রতাপগড় পুলিশ লিখেছে যে, সংশ্লিষ্ট মামলাটি স্টেশন ইন-চার্জ হাতিগাওয়ানের নজরে রয়েছে এবং পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে আরপিএফ ইন-চার্জ এসকে সিং বলেন, বৃষ্টির সময় ছাগলগুলো রেললাইনে চলে আসে, যার ফলে ইন্টারসিটি ট্রেনের ধাক্কায় তারা মারা যায়।










