সহেলি মিত্র, কলকাতা: জায়গায় জায়গায় টোটো রিক্সার (Electric Rickshaw) দৌরাত্ম্য রুখতে সিদ্ধান্ত নিয়েই চলেছে প্রশাসন। এবারেও যার ব্যতিক্রম ঘটল না। আজ বৃহস্পতিবার থেকে বাংলার আরও এক প্রান্তে বন্ধ হয়ে গেল টোটো চলাচল। বলা ভালো প্রশাসনের (Government of West Bengal) তরফে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে অনেকেরই মাথায় একদিকে যেমন হাত পড়েছে তা আবার অনেকেই বলছেন ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অবশেষে। এখন আপনিও নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন জায়গায় টোটো চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে? চলুন জেনে নেবেন।
এই জায়গায় বন্ধ করা হল টোটো চলাচল
রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ থেকে আসানসোলে (Asansol) স্টেট হাইওয়ে এবং ন্যাশনাল হাইওয়েতে টোটো (ই-রিকশা) চলাচল করতে পারবে না। ইতিমধ্যেই সকাল থেকেই কড়াকড়ি চলছেনা প্রশাসনের। ট্র্যাফিক পুলিশ আধিকারিকরা কড়া হাতে ট্র্যাফিক সামলাচ্ছেন। কোনও টোটোকে জাতীয় সড়কের ওপর উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। এই সিদ্ধান্ত মূলত নেওয়া হয়েছে সড়ক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক প্রবাহ উন্নত করার জন্য।
আরও ভালোভাবে বললে, আজ থেকে আসানসোল এর জুবলি মোড় থেকে চিত্রা মোড় পর্যন্ত টোটো চলাচল বন্ধ করলো পুলিশ প্রসাশন। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই আসানসোলের বারাবনিতে টোটোর অনিয়ন্ত্রিত সংখ্যা বৃদ্ধি এবং মিনিবাস চালকদের সঙ্গে বারবার বচসার অভিযোগকে কেন্দ্র করে অনির্দিষ্টকালের মিনিবাস ধর্মঘট শুরু হয়েছিল। চালকদের অভিযোগ, টোটোর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় মিনিবাসে যাত্রী কমছে এবং রাস্তায় নানা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। টোটো চলাচলে নির্দিষ্ট নিয়ম চালু এবং অনিয়ন্ত্রিত টোটোর দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবি জানিয়েছেন মিনিবাস চালকরা। প্রশাসনের তরফে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত পরিষেবা বন্ধ রাখার কথা জানান তাঁরা।
কী বলছেন সাধারণ মানুষ?
এই নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলছেন। একজন সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘ভগৎ সিং-কোটমোড়ের-ডলিলজ র মানুষ রা বার্ণপুর স্টেশন যাবে কি ভাবে? বাস গুলোকে বার্ণপুর স্টেশন পর্যন্ত চালানো হোক। নাহলে মানুষের খুব অসুবিধা হবে,বার্ণপুর স্টেশন মার্কেট এর কেনাকাটা কমে যাবে।’ কেউ কেউ লিখেছেন, ‘এমার্জেন্সিতে কী হবে?’ অপর একজন লিখেছেন, ‘রাস্তা ঠিক না করেই টোটো বন্ধ করে দিল?’ একজন লিখেছেন, গরিবের ক্ষমতা আছে toto ছাড়া অন্য কিছু রিজার্ভ করে ডক্টর দেখানো বা অন্য কোথাও যাওয়া?’










