প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রবীন্দ্র সরোবরে (Rabindra Sarobar) আর কুকুর নিয়ে ঢোকা যাবে না, শুধু তাই নয় যেকোনো খাবার নিয়ে সরোবরে ঢোকাও নিষিদ্ধ করলেন রাজ্যের নগরোন্নয়ন ও পুর বিষয়ক মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। গতকাল, বুধবার রবীন্দ্র সরোবর ও সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে এমনই মন্তব্য করেন মন্ত্রী। কোথাও কোনও নোংরা রয়েছে কি না সবটা খতিয়ে দেখেন তিনি। এবং রবীন্দ্র সরোবরকে আরও কীভাবে সুন্দর করা যায় সেই নিয়েও পরমার্শ দেন তিনি।
রবীন্দ্র সরোবর পরিদর্শনে এলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা
কলকাতা শহরের ফুসফুস বলে পরিচিত রবীন্দ্র সরোবর, প্রতিদিন সকাল বেলায় প্রাতঃভ্রমণকারীদের ভিড় দেখা যায়। শরীর চর্চা, হাঁটাহাঁটি থেকে শুরু করে পোষ্যদের নিয়ে ভ্রমণ সবটাই হয় এখানে। কিন্তু এবার কুকুর নিয়ে ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল প্রশাসন। প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল, বুধবার রবীন্দ্র সরোবর ও সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনে করেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। সেই সময় সরোবর রক্ষণাবেক্ষনের দায়িত্ব নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ায়। মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে কেএমডিএ-এর দায়িত্বে এই লেকের দায়িত্ব থাকলে তা অবশ্যই আমরা পালন করব। আগের সরকার তো কোনও দায়িত্বই নেয়নি।”
কুকুর প্রবেশ নিয়ে কড়াকড়ি মন্ত্রী
সরোবরের ফুটপাত মেরামতির কথাও এদিন বলেথেন অগ্নিমিত্রা পাল। এছাড়া, শৌচালয় যাতে পাঁচতারা হোটেল বা বিমানবন্দরের আদলে হয় সে বিষয়েও নজর দেওয়ার কথা বলেছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী। এরপরেই তিনি সরোবরে খাবার নিয়ে ঢুকতে মানা করে দেন, শুধু তাই নয় কেউ যাতে কোনো কুকুর নিয়ে ঢুকতে না পারেন সেই নিয়েও স্পষ্ট নির্দেশ দেন অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, সরোবরের ভিতরে যত্রতত্র কুকুরেরা নোংরা করে। আমরা কুকুরের বিরুদ্ধে নয় কিন্তু নোংরা করা যাবে না সরোবর। অনেকে আবার খাবার নিয়ে এলে সেই খাবারের অবশিষ্ট জলের মধ্যে ফেলে দেয় যার ফলে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন: শাশুড়ির হাত-পা বেঁধে পুকুরে ফেল খুন দুই বৌমার! হাড়হিম করা কাণ্ড নন্দীগ্রামে
এদিন রবীন্দ্র সরোবরের জল আগের থেকে অনেকটা স্বচ্ছ হয়েছে বলে দাবি করে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, “সরোবরের মধ্যে থাকা ক্লাব ও মসজিদের দূষিত জল আগে লেকের জলে মিশত। এখন সেসব বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা ভাল হয়েছে। এবার রবীন্দ্র ও সুভাষ সরোবরের জল পরিশ্রুত করব। এমন পিউরিফাই করব যাতে গ্লাসে করে সেটা খেতেও পারবেন। আমি কেএমডি-কে জানিয়েছি।” এখন দেখার এই পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হয়।










