বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরই বাংলাদেশে (Bangladesh) সংখ্যালঘুদের উপর শুরু হয়েছিল নির্মম অত্যাচার। মূলত মহম্মদ ইউনূসের আমলে ওপার বাংলার হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর নেমে এসেছিল অন্ধকারের কালো ছায়া। আর তার বিরুদ্ধেই সোচ্চার হয়ে জেলে যেতে হয়েছে সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভু (Chinmoy Krishna Das) সহ একাধিক হিন্দুদের। এবার তাঁদের বাঁচাতে ভারত সরকারের কাছে বড় আবেদন রাখলেন প্রতিবাদী কন্ঠস্বর, লেখিকা তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)। আড়াই বছর ধরে জেলে আটকে থাকা চিন্ময় প্রভুদের বিচারের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার আবেদন জানানো হয়েছে নয়া দিল্লির কাছে।
ভারতের কাছে বড় আবেদন লেখিকা তসলিমার
2024 সালে ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন শেখ হাসিনা। আর তারপরেই একেবারে দুর্যোগ নেমে এসেছিল ওপার বাংলার হিন্দুদের উপর। বাংলাদেশের মৌলবাদীদের হাতে আক্রান্ত হওয়া হিন্দুদের হয়ে আওয়াজ তুলেছিলেন চট্টগ্রাম ইসকন পুণ্ডরীক ধামের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। আর তারপরেই তাঁর উপর নেমে আসে মৌলবাদের ছায়া। কার্যত প্রভাবিত হয়ে সে বছরের নভেম্বর মাসে চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়। আর সেই মামলাতেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।
ইউনূস শাসনে হত্যা সহ একাধিক মামলা চাপানো হয়েছিল চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের উপর। যদিও পরবর্তীতে হাইকোর্ট প্রত্যেকটি মামলায় জামিন দিয়েছিল তাঁকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও আড়াই বছর ধরে জেল বন্দি করে রাখা হয়েছে বাংলাদেশে সনাতনীদের অন্যতম মুখ চিন্ময় প্রভুকে। পদ্মা পাড়ে সরকার বদল হলেও বদলায়নি সেই ছবি। আর ঠিক সেই কারণে এবার সোচ্চার হলেন বাংলাদেশের প্রতিবাদী কবি তসলিমা নাসরিন।
আরও পড়ুন: কোচবিহারে আশ্রমের ভেতরেই তরুনীর সাথে আপত্তিকর কাজকর্ম, মহারাজকে ধরল পুলিশ
সদ্য নিজের ফেসবুক পেজ থেকে নাসরিন একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ভারত সরকার যাতে বাংলাদেশে জেলবন্দি চিন্ময় প্রভুদের ন্যায়ের পক্ষে সরব হয় সেই দাবিতেই আগামীকাল অর্থাৎ সোমবার বিকেল চারটেতে কলকাতার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন তিনি। চিন্ময় প্রভু ছাড়াও আরও তিনজন অধ্যাপক আবদুল বরকত, শাহরিয়ার কবির এবং রানা দাশগুপ্তের হয়ে সাংবাদিকদের সামনে মুখ খুলতে চলেছেন তিনি।










