বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির (Ali Khamenei)। যা নিয়ে গঙ্গা দিয়ে জল বয়ে গেছে অনেক। দীর্ঘ সংঘাতের চার মাসের মাথায় এবার নিজেদের সুপ্রিম লিডারের অন্তোষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করতে চলেছে ইরান সরকার। পুরো এক সপ্তাহব্যাপী জানাজা অনুষ্ঠানের আয়োজন হতে চলেছে ভারতের বন্ধু দেশটিতে। আগামীকাল অর্থাৎ শনিবার থেকে শুরু হবে সেই অনুষ্ঠান। আর তার আগেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে সম্মান জানালেন ভারত থেকে যাওয়া কয়েকজন ধর্মীয় নেতা এবং রাজনীতিবিদরা ইতিমধ্যেই ধরা পড়েছেন ক্যামেরার লেন্সে।
খামেনির দফন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন লাখ লাখ মানুষ!
আগামীকাল অর্থাৎ 4 জুলাই থেকে পরবর্তী 9 জুলাই পর্যন্ত চলবে খামেনির জানাজ অনুষ্ঠান। উপস্থিত থাকবেন লাখ লাখ মানুষ! ঠিক সেই অনুষ্ঠানের আগে একে একে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে দেশটিতে পৌঁছেছেন অনেকেই। খামেনির অন্তোষ্টিক্রিয়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই আজ অর্থাৎ শুক্রবার তাঁর পবিত্র শহর মাশহাদে খামেনি সহ তাঁর পরিবারের কয়েকজন মৃত সদস্যের দেহ নিয়ে আসা হয়। আর তারপরেই ইমাম খোমেনি গ্রাদ মোসাল্লা মসজিদে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান স্থানীয় মানুষজন থেকে শুরু করে দূর দূরান্ত থেকে ছুটে যাওয়া বহু মানুষ।
An honour for me to be here in Tehran to express my deepest condolences & solidarity on the martyrdom of Iran’s Supreme Leader Ayatollah Sayyed Ali Khamenei- a revered leader who dared to stand against the tide & fought for the oppressed. pic.twitter.com/dyfRbNXhsr
— Mehbooba Mufti (@MehboobaMufti) July 3, 2026
ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসের তরফে একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে। সেই ছবিতেই দেখা গিয়েছে, ভারত থেকে ইরানে যাওয়া গেরুয়া পোশাক পরিহিত পুরোহিত এবং শিখ ধর্মগুরু থেকে শুরু করে ভারতের বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদ। এদিন সোশ্যাল মিডিয়া ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গেল জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এবং কংগ্রেস নেতা সালমান খুরশিদও খিরাজও।
অবশ্যই পড়ুন: নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মারলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
উল্লেখ্য, দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পথ আগলে বসেছিলেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। মাঝে জনগণের একটা বড় অংশের ক্ষোভ উগরে পড়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে গত 28 ফেব্রুয়ারি এয়ার স্ট্রাইক চালিয়ে যৌথভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের। যদিও সেই হামলার প্রত্যাঘাত করেছিল তেহরান।










