সকাল হলেই চলে যায় কারেন্ট! তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ বাংলাদেশবাসী

Published:

Bangladesh Loadshedding

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: প্রবল গরমে নাকাল অবস্থা আমজনতার। ওপার বাংলাতেও ছবিটা প্রায় একই রকমই (Bangladesh Load Shedding)। তবে বাংলাদেশে প্রচন্ড গরমের সাথে সাথে সাধারণ মানুষের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে লোডশেডিং। সাম্প্রতিক সময়ে, বাংলাদেশে লোডশেডিংয়ের হার একেবারে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। ওপার বাংলার সংবাদমাধ্যম যুগান্তরের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সকাল হলেই চলে যাচ্ছে কারেন্ট। তারপর আবার কখন ইলেকট্রিসিটি আসবে তার কোনও ঠিক নেই! এমতাবস্থায়, লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে ওপারের মানুষজনের। শিল্প উৎপাদন থেকে শুরু করে কৃষি সহ অন্যান্য উৎপাদন খাতে এর ব্যাপক খারাপ প্রভাব পড়েছে।

কবে থেকে কমবে লোডশেডিং?

বাংলাদেশে লোডশেডিং এর পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ার কারণে এর আগেই ওপার বাংলার বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উন্মে রেহানা জানিয়েছিলেন, 28 এপ্রিল থেকেই কম করে 1300 মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসবে, এর ফলে সংকট খানিকটা হলেও কমবে। একই সাথে জ্বালানি সংকটে আরএনপিএন এর বন্ধ হয়ে যাওয়া ইউনিট আবার চালু হবে। এর ফলে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রায় দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

এবার বাংলাদেশের জ্বালানি সংকটের কারণে বেড়ে যাওয়া লোডশেডিং নিয়ে মুখ খুললেন ওপার বাংলার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। সোমবার বাংলাদেশ-চিন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ফোরামের এক আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি জানিয়েছেন, “আগামী সপ্তাহ থেকে দেশে বিদ্যুতের অবস্থা আগের তুলনায় অনেকটাই ভাল জায়গায় পৌঁছবে। লোডশেডিং অনেকটাই কমে আসবে।”

অবশ্যই পড়ুন: ওড়িশা ম্যাচের আগে রশিদ ও আনোয়ার আলিকে নিয়ে চিন্তায় ইস্টবেঙ্গল

এদিন বাংলাদেশের ওই মন্ত্রী এও বলেন, তারেক রহমান সরকার আগামী 5 বছরে 10 হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করার পরিকল্পনা করছে। এর জন্য রেলওয়ে এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অব্যবহিত জমিগুলি ব্যবহার করা হতে পারে। এদিন বাংলাদেশের ওই মন্ত্রী এও বলেন, বিদ্যুৎ খাতে আজও 56 হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। যা দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। এদিকে, একনাগাড়ে প্রতিদিন লোডশেডিংয়ের কারণে একেবারে অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছেন ওপারের বাসিন্দারা।