বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: চরম দারিদ্রতায় ডুবে পাকিস্তান! মুখে স্বীকার না করলেও বিভিন্ন রিপোর্টে উঠে আসে পশ্চিমের দেশের অসহায়ত্বের কথা (IMF Money To Pakistan)! তারই প্রমাণ মিলল ফের। আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার বা IMF এর কাছ থেকে ফের বড় অঙ্কের আর্থিক সাহায্য পাচ্ছে ইসলামাবাদ। আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার পাকিস্তানের জন্য চলমান দুই পৃথক কর্মসূচির অধীনে 1.32 বিলিয়ন ডলার অনুমোদন করেছে।
ফের IMF এর কাছে হাত পাততে হচ্ছে পাকিস্তানকে?
এই মুহূর্তে আর্থিক সংকটে জর্জরিত পাকিস্তান। মূলত পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার কারণেই ভারতের প্রতিবেশী দেশটিতে অর্থনৈতিক সংকট বড় আকার ধারণ করেছে। এদিকে জ্বালানি তেল নিয়েও বড় বিপদে পশ্চিমের দেশ। ঠিক সেই আবহে দুঃসময়ে ফের পাকিস্তানের পাশে দাঁড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি এর অধীনে 1 বিলিয়ন ডলার, রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটি’ এর অধীনে পাকিস্তানকে অতিরিক্ত 210 মিলিয়ন ডলার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার।
বলাই বাহুল্য, এর আগে 2024 সালে IMF পাকিস্তানকে 7 মাসের মধ্যে 37 বিলিয়ন ডলার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। একই সাথে RSF প্রকল্পে 1.4 বিলিয়ন ডলার অনুমোদন করেছিল আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার। সেই প্রতিশ্রুতি মতোই আজ পর্যন্ত পাকিস্তান IMF এর তরফ থেকে 8.4 বিলিয়ন ডলারের দুই ঋণ প্যাকেজের মধ্যে 4.5 বিলিয়ন ডলারের ঋণ ইতিমধ্যেই পেয়ে গিয়েছে। তবে নতুন করে যে ঋণের কথা ঘোষণা করা হল তা আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ছেড়ে দিতে পারে অর্থভান্ডার। আর সেটা হলে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডার 17 বিলিয়ন ডলারের বেশি হয়ে যাবে বলেই আশা করা যাচ্ছে।
অবশ্যই পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন বেকার ভাতা প্রকল্পে কবে মিলবে ৩০০০ টাকা? জানুন
প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে বিপুল পরিমাণ ঋণ পাওয়ার বিনিময়ে পাকিস্তানকে কঠোর আর্থিক এবং মুদ্রা নীতির লক্ষ্য পূরণ করার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হয়েছে। বিশ্ব অর্থভাণ্ডারকে পাকিস্তানের সরকার আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, আর্থিক ঘাটতি কমিয়ে রাজস্ব আদায় বাড়াতে সরকার সব রকম সংস্কারমূলক কাজ চালিয়ে যাবে। যদিও IMF এর নীতি মানতে গিয়ে ইসলামের দেশটিতে বেড়েছে বেকারত্ব এবং দারিদ্রতা। সেই সাথে পাকিস্তানিদের আয়েও ব্যাপক বৈষম্য দেখা দিচ্ছে। তাতে বারবার সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে ভারতের প্রতিবেশীকে।










