বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতে (India) নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সের্জিও গোর গত সপ্তাহে তিন দিনের বাংলাদেশ (Bangladesh) সফরে গিয়েছিলেন। আর সেখানে পৌঁছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সাথে বৈঠক করেছিলেন তিনি। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, ওপার বাংলার প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের আগে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদির সাথে বৈঠক হয় ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের। আর তাতেই নতুন করে বেড়েছে জল্পনা।
হঠাৎ বাংলাদেশের ভারতীয় হাই কমিশনারের সাথে বৈঠক কেন?
রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে পৌঁছে ভারতীয় হাই কমিশনার ত্রিবেদির সাথে দেড় ঘন্টার টানা বৈঠক করেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত। আর তারপর থেকেই কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা। তাঁদের অনেকেই মনে করছেন, ভারত আসলে আমেরিকার সাথে হাতে হাত মিলিয়ে বাংলাদেশে চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলার চেষ্টা করছে।
যে কথা না বললেই নয়, এদিন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত গোরের সাথে বৈঠক করার পরেই সেদিনই দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন দীনেশ ত্রিবেদি। যা থেকে অনেকের মনেই খটকা লাগছে। অনেকেই জানতে চাইছেন ঠিক কোন কারণে গোরের সাথে বৈঠক হওয়ার কিছু ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন তিনি? বলে রাখা প্রয়োজন, তারেক রহমানের সরকার বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসার পরই ওপার বাংলায় প্রভাব বেড়েছে চিনের! সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক চিন সফর করার পরই দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব অনেকটাই মজবুত হয়েছে।
এদিকে আবার পাকিস্তানের উদাহরণ টেনে এনে প্রশ্ন তুলছে বাংলাদেশ। ওপার বাংলার দাবি, পাকিস্তান যদি চিন এবং আমেরিকা উভয়ের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পারে তাহলে বাংলাদেশ পারবে না কেন? এতে ভারতের আপত্তি কোথায়? এমন একাধিক প্রশ্ন উঠে আসছে বাংলাদেশ থেকে। সেসব নিয়ে অবশ্য আলাদা করে মাথা ঘামাতে রাজি নয় নয়া দিল্লি। তবে কেউ কেউ মনে করছেন, ভারত নাকি আমেরিকার সাথে হাতে হাত মিলিয়ে বাংলাদেশের চিনের আধিপত্য ধ্বংস করতে চাইছে!
অবশ্যই পড়ুন: ‘গরিবের বিয়েতে শাহরুখকে নাচতে নিয়ে আসার সমান’ ব্রাজিলের ভারত সফর প্রসঙ্গে বাইচুং
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হবেন ইউনূস?
নর্থইস্ট নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত পহেলা জুলাই বাংলাদেশ সফরের শেষ দিনে ওপার বাংলার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে বৈঠক হয় গোরের। আর তারপরই নাকি বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টিও একটি বৈঠক ডাকে। আর সেখানেই বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন করা হয় মহম্মদ ইউনূসের নাম। এদিকে সবাই গিয়েছে, আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতেন ভারতে আসবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী!










