বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সুসময়ে না থাকলেও, নেপালের দুঃসময়ের সঙ্গী হয়েছে ভারত (Nepal On India)। সম্প্রতি বানভাসি নেপালের পাশে দাঁড়িয়ে সব রকম সহযোগিতা করেছে নয়া দিল্লি (India-Nepal Relations)। আর সেই মানবিকতা থেকেই এবার ভারতের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপনে মরিয়া বালেন শাহের সরকার। ইতিমধ্যেই সে কথা জানিয়েছেন নেপালের অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে। তাঁর বক্তব্য, পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাস্তবতাকে মাথায় রেখে ভারতের সাথে নতুন করে সুসম্পর্ক তৈরি করতে চায় নেপাল সরকার। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বৃদ্ধির সাথে সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিমান চলাচল এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও উন্নতি হবে বলেই জানান তিনি।
ভারত বিরোধীতার দিন শেষ, বলছে নেপাল
সম্প্রতি দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের আমন্ত্রণে তিন দিনের ভারত সফরে এসেছিলেন নেপালের অর্থমন্ত্রী। সেই সফর শেষ করে শনিবার নিজের দেশে ফিরে যান তিনি। আর তারপরেই ভারত এবং নেপালের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেন স্বর্ণিম। তিনি জানান, ভারতের সাথে সীমান্ত বিরোধের মতো সমস্যাগুলি এড়িয়ে যেতে চাইছে না নেপাল সরকার। তবে সমস্ত সমস্যার সমাধান হবে গঠনমূলকভাবে।
দ্য হিন্দুকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে নেপালের অর্থমন্ত্রী জানান, নতুন করে ভারতের সাথে সম্পর্ক সাজাতে চায় নেপাল সরকার। ওয়াগলের কথায়, “ভারত বিরোধিতার দিন শেষ। নেপালি জাতীয়তাবাদকে ভারত ভারত বিরোধিতার সাথে এক করে দেখার দিন শেষ হয়েছে।” নেপালের মন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের সাথে সীমান্ত বিরোধ নিয়ে আগামী দিনে সমস্ত বিষয় উপস্থাপন করা হবে ঠিকই, তবে গঠনমূলকভাবে সেই সমস্যার সমাধানের উপর জোর দিতে চাইছে নেপাল। এতদিন সীমান্ত সমস্যা নিয়ে ভারত বিরোধিতা চললেও এবার থেকে অন্য পথে হাঁটছে কাঠমান্ডু।
আরও পড়ুন: অভিষেক থেকে আইয়ার, দাঁড়াতে দেননি কাউকেই! জাপানের স্কুল স্টুডেট বোলার ‘দ্বিতীয় জাদেজা’
নেপালের অর্থমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যা নেপালের জনসাধারণ অর্থাৎ জাতীয় স্বার্থের অংশ হিসেবে দেখা হলেও এটাকে ভারতবিরোধী রাজনৈতিক হিংসার হাতিয়ার যাতে করা না হয় সেদিকে কড়া নজর রাখছে বালেন সরকার। জানা গিয়েছে, নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী নিজেও ভারতের সাথে সুন্দর সম্পর্ক চাইছেন। আর এই দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূত্রপাতটা হতে পারে বালেনের ভারত সফরের মধ্য দিয়েই। নেপালের অর্থমন্ত্রী এও জানিয়েছেন, 2026 শেষ হওয়ার আগেই ভারতে আসবেন প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী।










