সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বাংলাদেশের (Bangladesh) বাজারে এমনিতেই পুরনো জিনিসপত্র কেনাবেচার রীতি প্রচলন রয়েছে। বিশেষ করে হাটে বাজারে বাইক, সাইকেল দেদার বিকোয়। তবে এবার এমন এক দৃশ্য সামনে এল যা দেখলে আপনিও অবাক হবেন। হ্যাঁ, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির তরফে চালু করা সবুজ সাথী প্রকল্পের সাইকেল (Sabuj Sathi Cycle) বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশের হাটে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
বাংলাদেশে বিক্রি হচ্ছে সবুজ সাথী প্রকল্পের সাইকেল
@Aryan_warlord নামে এক ব্যবহারকারী এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, বাংলাদেশের বড়হাটা রেলওয়ে স্টেশনের কাছের এক হাটে পশ্চিমবঙ্গ সরকার অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির তরফ থেকে চালু করা সবুজ সাথী প্রকল্পের সাইকেল বিক্রি হচ্ছে। এমনকি সাইকেলগুলোতে সবুজ সাথী প্রকল্পের স্টিকার মারা। তবে হ্যাঁ, ওই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা হয়নি ইন্ডিয়া হুডের তরফ থেকে। তবে দেখে যা মনে হচ্ছে, সাইকেলগুলো কোনোটা অল্পদিন ব্যবহার করা, আবার কোনোটা একেবারেই নতুন। খুব একটা পুরনো সাইকেল ওই বাজারে নেই। সামনের দিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির আঁকা লোগো, আর পিছনে বিশ্ব বাংলার স্টিকারও রয়েছে।
Open air bicycle market at Borohata #railway station in #Bangladesh . All normal for this area till you see that the cycles being sold are those that were supposedly gifted by the #MamataBanerjee government of #WestBengal to students . pic.twitter.com/L9v6NUm51v
— Ninjamonkey 🇮🇳 (@Aryan_warlord) April 25, 2026
সমাজ মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন জাগছে, তাহলে কি সত্যিই বাংলাদেশে সবুজ সাথীর সাইকেল বিক্রি হচ্ছে? কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সরকারি প্রকল্পের জিনিস পৌঁছল? একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, মুর্শিদাবাদের লালগোলা সংলগ্ন ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের রানিহাটি বাজার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নদিয়া জেলা সংলগ্ন চারঘাট, পাবনা, খুলনা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ইত্যাদি গ্রামীণ হাটগুলিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সবুজ সাথী প্রকল্পের সাইকেল দেদার বিক্রি হয়। বিক্রেতাদের বক্তব্য, যে সাইকেলগুলি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে বিনামূল্যে দেওয়া হয়, সেগুলি এখানে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা দামে বিক্রি হয়।
আরও পড়ুন: সোনা পাপ্পুর সাথে যোগসূত্র! ভোটের মধ্যে ফের শহরের ২ ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা ইডির
তবে রাজনৈতিক মহলে এ নিয়ে প্রশ্ন জাগছে যে, সাইকেলগুলি ওপারে কীভাবে যাচ্ছে এবং কারা এই চক্রের পিছনে রয়েছে? যদিও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য সামনে আসেনি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ীর কথায়, অনেকেই বলেন এগুলি নাকি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিনামূল্যের সাইকেল। তবে আমরা এত কিছু জানি না। পাইকারদের কাছ থেকে নিয়ে আসি। ২০০ থেকে ৩০০ টাকা মুনাফা রেখেই এগুলি বিক্রি করি।










