সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) আর হাতেগোনা তিনটে দিন বাকি। তার আগেই শহরজুড়ে আবারও তৎপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (ED Raid in Kolkata)। রবিবার সকালে একাধিক দল ইএম বাইপাস সংলগ্ন আনন্দপুর ও আলিপুরের দুই প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়েছে। সূত্রের খবর, তদন্তের নজরে সেই কুখ্যাত জমি মাফিয়া তথা দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পুর ব্যবসায়িক আর্থিক যোগসূত্র।
রবিবাসরীয় সকালেই ফের ইডির অ্যাকশন
উল্লেখ্য, আজ ঘড়ির কাঁটায় সবে সকাল হয়েছে। সিআরপিএফ জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে আনন্দপুরের এক বিলাসবহুল আবাসন ও আলিপুরের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে পৌঁছন ইডি আধিকারিকরা। সোনা পাপ্পুর এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে সম্প্রতি গ্রেফতার করা হয়েছিল বলে খবর। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যেমনটা জানাচ্ছে, ওই ব্যক্তিকে জেরা করেই এই দুই ব্যবসায়ীর নাম সামনে আসে। তাদের মাধ্যমে বড় অংকের টাকা লেনদেন এবং জমি দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে ইডি।
বলে রাখি, বালিগঞ্জ এলাকায় গোলমাল ও দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জমি দখল ও আর্থিক জালিয়াতি মামলায় প্রধান অভিযুক্তর নাম সোনা পাপ্পু। বালিগঞ্জ কান্ডের পর থেকেই সে পলাতক। এর আগে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেআইনি পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গোয়েন্দাদের ধারণা, সোনা পাপ্পু পলাতক থাকলেও তাঁর নেটওয়ার্ক এখনও পর্যন্ত সক্রিয়। আর প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে কারবার চলছে।
এদিকে আগামী ২৯ এপ্রিল রাজ্যের দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তার ঠিক তিনদিন আগে এই অভিযান নিয়ে রাজনৈতিক জলঘোলা যে আরও বেড়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রাজ্যের শাসক দলের দাবি, নির্বাচনের আগে ভয় দেখাতেই বিজেপি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করছে। এর আগে দেবাশীষ কুমার থেকে শুরু করে সুজিত বোস সহ একাধিক নেতাদের তলব করা হয়েছিল। অন্যদিকে বিজেপির বক্তব্য, দুর্নীতি তদন্তের সঙ্গে নির্বাচনের কোনওরকম যোগসূত্র নেই।










