আত্মসমর্পণ? ক্ষমতায় না পেরে হুথিদের ১ বিলিয়ন ডলার দিয়ে হামলা থেকে বাঁচতে মরিয়া সৌদি!

Published:

Saudi Arabia

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সৌদি আরবে (Saudi Arabia) ক্রমাগত হামলা চালাচ্ছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা (Houthis)। ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠী বিগত দিনগুলিতে সৌদির একাধিক বিমানবন্দর থেকে শুরু করে বিভিন্ন জ্বালানি প্ল্যান্টেও হামলা চালিয়েছে। তাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে রিয়াদের। এমতাবস্থায়, সেই হুথিদেরই 1 বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কেন হঠাৎ হুথিদের এত অর্থ দিতে চাইছে সৌদি আরব?

কেন হুথিদের এত বিপুল অর্থ দিতে চাইছে সৌদি?

এই মুহূর্তে যেহেতু হুথিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে শুরু করে ধর্মীয় শহর সহ একাধিক ক্ষেত্রে ক্রমাগত হামলা চালাচ্ছে, কাজেই সেই হামলার সামনে একেবারে মুখ থুবড়ে পড়ে কার্যত আত্মসমর্পণ করার জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে সৌদি আরব। হুথি বিদ্রোহীদের ভয়াবহ হামলা। প্রতিহত করার ক্ষমতা এই মুহূর্তে রিয়াদের হাতে নেই! আর ঠিক সেই কারণেই ক্রমাগত হামলার হাত থেকে বাঁচতেই হুথিদের বিপুল অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপসাগরীয় দেশটি।

ইরানের মাধ্যমে হুথিদের বিপুল অর্থ দেওয়ার চেষ্টা করছে সৌদি

রিপোর্ট অনুযায়ী, সৌদি আরব সরকারের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে হুথিদের 1 বিলিয়ন ডলার দেওয়ার কথা না জানালেও শোনা যাচ্ছে, হুথি বিদ্রোহীদের সাথে যুদ্ধবিরতির জন্য সম্প্রতি ইরানের রাজধানী তেহরানে গিয়েছিলেন সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান। জানা যাচ্ছে, ইরানকে মাঝখানে রেখে তাদের মাধ্যমেই হুথিদের এই বিপুল অর্থ দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে রিয়াদ।

সূত্রের যা খবর, সৌদি মন্ত্রী হারকিউলিস নাকি বিমানে করে 1 বিলিয়ন ডলারের নগদ অর্থ ইরানে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই টাকা ইয়েমেনের হুথিদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে সৌদির। তবে সৌদি আরবের তরফে এখনও পর্যন্ত হুথি বিদ্রোহীদের হাতে সেই অর্থ তুলে দেওয়া হয়েছে কিনা সেই সংক্রান্ত কোনও স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। তবে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একেবারে বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান মক্কা জোটের প্রতিনিধিদের সাথেই ইরান সফরে গিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ‘ও আমার বন্ধু’ হ্যারি কেন ব্যালন ডি’অর জিততেই বড় মন্তব্য করলেন বিরাট কোহলি

সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মক্কা জোটের প্রতিনিধিদের নিয়ে সালমানের ইরান সফরের মূল উদ্দেশ্য, সৌদি আরবের সাথে ইয়েমেন হুথিদের উত্তেজনা হ্রাস করা। মূলত আলোচনার মধ্যে দিয়ে দুই দেশের মধ্যে সমস্যার সমাধান করাই রিয়াদের প্রধান লক্ষ্য। এছাড়াও ওই বিবৃতিতে এও জানানো হয়, হুথিদের সাথে সংঘাত বন্ধ করতে মধ্যস্ততা করতে পারে পাকিস্তান, তুরস্কও।

google button