অতিরিক্ত মানসিক চাপে ঘুম কম হচ্ছে? রাতে শোওয়ার আগে করুন এই কাজগুলি

Published:

Deep Sleep At Night

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ঘরে বাইরে একাধিক কাজের চাপে অনেকেরই রাতের ঘুম উড়ে যায়। এদিকে মানসিক চাপ মাত্রাতিরিক্ত হতে শুরু করলে, তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেককেই ওষুধ (Improve Sleep Quality) খেতে হয়। ঘুম না হলে শরীরের উপরেও তার প্রভাব পড়তে শুরু করে। চোখের তলায় কালি পড়া, মাথায় টাক পড়তে শুরু করা, ওজন বেড়ে যাওয়া, ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে। কিন্তু অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খাওয়াও ঠিক নয়। তবে চিন্তা নেই, আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কী ভাবে মন শান্ত করবেন, যাতে রাতভর ভালো ঘুম (Deep Sleep At Night) হয়।

ক্যাফিন জাতীয় খাবার নয়

সন্ধ্যার দিকে অনেকেই এক কাপ চা বা কফি খান। আবার রাতে খাওয়াদাওয়ার পরে অনেকেই এক কাপ গ্রিন টি খান। সেক্ষেত্রে কিন্তু কম ঘুমের জন্য দায়ী হতে পারে চা-কফি। কারণ, তাতে থাকে প্রচুর ক্যাফিন, যা ঘুমভাব কাটিয়ে দেয়। ফলে সহজে ঘুম আসবে না। তাই সন্ধ্যার পর চা-কফি খাওয়া কমান। এছাড়াও রাতে শোয়ার আগে ধূমপান করবেন না, কারণ এর মধ্যে নিকোটিন থাকে, এতে সহজে ঘুম আসে না।

মোবাইল সরিয়ে রাখুন

সারাদিনের ব্যস্ততার মাঝে সামান্য বিনোদন উপভোগ করতে আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুঁ মারি।‌ কখনও ফেসবুক, কখনও ইনস্টাগ্রাম। কিন্তু এগুলিই আসলে চোখের ঘুম কেড়ে নেয়। কারণ, ডিজিটাল পর্দার নীল আলো শরীরে ‘মেলাটোনিন’ হরমোন তৈরি হতে দেয় না, যা ঘুমের জন্য জরুরি। তাই ঘুমের আগে অন্তত এক ঘণ্টা ডিজিটাল পর্দা থেকে দূরে থাকুন, বদলে গল্পের বই, ম্যাগাজিন পড়ুন। দেখবেন ধীরে ধীরে ঘুম চলে আসবে।

আরও পড়ুন: নখকুনির যন্ত্রণা এড়াতে মেনে চলুন কিছু ঘরোয়া টিপস

খাবার ও বিশ্রামের মধ্যে দরকার বিরতি

রাতের খাওয়া আর ঘুমের মধ্যে অন্তত এক থেকে দুই ঘণ্টার বিরতি থাকতে হবে। এই সময় হাঁটাহাঁটি করলে খাবার হজম হয় দ্রুত, ঘুমও আসে তাড়াতাড়ি। এবং প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমোনোর চেষ্টা করা উচিত, যদি কেউ দেরি করে ঘুমোয় তাহলে সে যতই আগে ঘুমোক না কেন আগে কিছুতেই ঘুম আসবে না।

মেডিটেশন করুন

রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মিনিট দশেক ধ্যান করার অভ্যাস করতে পারেন এতে মন শান্ত থাকে। এছাড়াও হালকা কোনও মেডিটেশন মিউজিক শুনতে শুনতেও ধ্যান করতে পারেন। এতে ঘুমও তাড়াতাড়ি চলে আসবে। কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তা করলে ধ্যানের মাধ্যমে কমে যাবে।

আরওHealthSleep
google button
TRENDING সবচেয়ে বেশি পড়া ← বাদিকে স্ক্রল করুন