প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আমরা কম বেশি অনেকেই হাত ও পায়ের নখ ভালো রাখতে পেডিকিওর ও ম্যানিকিওর করে থাকি। কিন্তু তবুও যত্নে খাঁটি থেকে যায়। নখ হলুদ হয়ে গিয়ে পুঁজ জমে যায়, এতে ব্যথা হয় খুব। চলতি কথায় একে বলে নখকুনি (Nail Fungus)। মূলত হাতের নখের থেকেও পায়ের নখে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। তবে চিন্তা নেই, এই ব্যথা থেকে রেহাই (Nail Pain Relief) পেতে হলে মেনে চলুন বেশ কিছু ঘরোয়া টোটকা।
অসহ্য যন্ত্রণা বাড়ে নখকুনিতে
কখনও খুব ছোট করে নখ কাটতে গিয়ে ত্বকের মধ্যে ক্ষত সৃষ্টি হয় তো কখনও আবার নখের কোণ ভেঙে গেলে সেই ক্ষতস্থানে ব্যাকটেরিয়া জন্মায়, ফলে নখকুনির মতো যন্ত্রণাদায়ক সমস্যা তৈরি হয়। ব্যথা এতটাই শুরু হয় যে জ্বর এসে যায়। তবে কয়েকটি ঘরোয়া উপায় ও উপাদান কাজে লাগিয়ে যন্ত্রণাদায়ক নখকুনি থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আমাদের আজকের প্রতিবেদনে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হল।
ভুট্টার গুঁড়ো
ঘরোয়া উপায়ে নখকুনি সারানোর সহজতম পদ্ধতি হল ভুট্টার গুঁড়ো। এর জন্য গ্যাসে ভুট্টার গুঁড়োকে একটি প্যানে ঢেলে গরম করে নিতে হবে। এরপর তাতে জল মিশিয়ে একটা মিশ্রণ বানিয়ে নিতে হবে। এরপর সেটি ঠান্ডা হলে সেই মিশ্রণ হাতের ও পায়ের নখে লাগিয়ে নিন। সপ্তাহে একবার করলেই অনেকটা ভালো পাবেন।
রসুন
হাতের ও পায়ের আঙুলের নখে নখকুনি হলে রসুনও সবচেয়ে ভালো ওষুধ। এর জন্য রসুন কুচিয়ে এক কাপ সাদা ভিনিগারের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর এই মিশ্রণ নখকুনিতে লাগিয়ে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে বেঁধে রাখুন। প্রতিদিন অন্তত দিনে দুবার এই ওষুধ নখকুনিতে দিতে হবে তাহলে উপকার পাবেন।
আরও পড়ুন: ক্যালেন্ডুলা থেকে চন্দ্রমল্লিকা, শীত আসার আগেই বাগান সাজাতে লাগান এই ৪ ফুল
টি ট্রি অয়েল
নখকুনি সারানোর জন্য টি ট্রি অয়েল খুব ভাল। এর জন্য এক চা চামচ নারকেল তেলে দু’-তিন ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে সেটা তুলো দিয়ে নখকুনির অংশে লাগিয়ে নিলেই দেখবেন ম্যাজিক হবে। মোটামুটি ১০-১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে দিলেই দ্রুত নখকুনি সেরে যাবে।
ভিনিগার ও লিস্টারিন
লিস্টারিনে মেন্থল থাকে যেটা নখকুনির ব্যথায় আরাম দেয়৷ এছাড়াও ভিনিগার ব্যাকটেরিয়া দূর করে তাই এই দু’টির মিশ্রণ রোজ হাতের ও পায়ের নখে লাগিয়ে রাখলে অনেক উপকৃত হবেন। এছাড়াও ভিক্স ভ্যাপো রাবও খারাপ নখকে সুস্থ করে তুলতে বেশ কাজে দেয়।










