প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দেবীপক্ষের সমাপ্তি ঘটিয়ে এবার পালা মা লক্ষ্মীর (Lakshmi Puja 2026) আরাধনা পর্বের। প্রতিবার কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন প্রতিটি হিন্দু বাড়িতে নিয়ম রীতি (Vastu Tips) মেনে মায়ের পুজো করা হয়। অনেকেই এদিন সুন্দর আলপনা (Lakshmi Puja Alpona) দিয়ে থাকেন বাড়ির চারিপাশে। তবে শাস্ত্র অনুযায়ী এই আলপনা দেওয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে বিশেষ কয়েকটি নিয়ম। কারণ, বলা হয় ঘরের সবজায়গায় নাকি আলপনা দিতে নেই। এতে সংসারের সুখ-শান্তি চলে যায়। নেমে আসে বিপর্যয়।
আলপনা নিয়ে রয়েছে একাধিক নিয়ম
কথিত আছে, মা লক্ষ্মী বড়ই চঞ্চলা। তাই তাঁকে নিজের বাড়িতে স্থিত রাখতে হলে অবশ্যই সব নিয়ম পালন করতে হয় পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে। তা হলেই তাঁর কৃপায় ভরে ওঠে সংসার এবং সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে আমাদের জীবন। শাস্ত্র ও বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরের ঠিক কোথায় মা লক্ষ্মীর পা আঁকা উচিত আর কোথায় ভুলেও আঁকা নিষেধ, সে বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। তাহলে চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিস্তারিত জেনে নিন।
কোথায় ভুলেও লক্ষ্মীর পা আঁকবেন না?
বাড়ির বাথরুম বা শৌচাগারের আশপাশের এলাকায় কখনও মা লক্ষ্মীর পা বা কোনও পবিত্র আলপনা আঁকা উচিত নয়। এতে মা লক্ষ্মী অসন্তুষ্ট হন এবং গৃহের বাস্তু দোষে অমঙ্গল ডেকে আনে। বদলে রান্নাঘর বা ঘরের যেখানে চাল, ডাল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যবস্তু সংগ্রহ করে রাখা হয় সেখানে আঁকলে ইতিবাচক প্রভাব বাড়ে।
আরও পড়ুন: কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় ভুলেও করবেন না এই কাজ, নইলে ঘটবে বড় বিপদ
- অনেকেই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মূল দরজার ঠিক মুখোমুখি বারান্দায় মা লক্ষ্মীর পা আঁকেন। কিন্তু শাস্ত্রমতে, এই কাজটি করা অত্যন্ত অশুভ। কারণ বিশ্বাস করা হয়, সদর দরজায় পায়ের ছাপ থাকলে দেবী লক্ষ্মী ঘরে প্রবেশ না করে উল্টে ঘর থেকে বিদায় নেন। আর তাতেই সংসারে বাড়ে অশান্তি।
- সিঁড়িতে মা লক্ষ্মীর পা আঁকা হয়ে থাকে আলপনার মাধ্যমে, কিন্তু এখানে দেবীর পায়ের ছাপ দেওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ। তাই সেক্ষেত্রে ঠাকুরঘর কিংবা সিংহাসনের ঠিক সামনে লক্ষ্মীর পা আঁকা সবচেয়ে শ্রেয়। এতে ঘরে ইতিবাচক শক্তির প্রভাব বাড়ে। ঘরের যেখানে ক্যাশ বাক্স, লকার বা সোনাদানা ও মূল্যবান গয়না রাখা হয়, সেই সিন্দুক বা আলমারির আশপাশে লক্ষ্মীর পা আঁকা অত্যন্ত শুভ










