কংসাবতীর বুকে লুকিয়ে রয়েছে সবুজ দ্বীপ, ঘুরে আসুন বর্ষায়

Published:

Sabujdeep

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাঙালির পায়ের তলায় সর্ষে ফুল। কোথাও ঘুরতে যাওয়ার হিড়িক উঠলেই সবার আগে ব্যাগপত্তর নিয়ে রেডি হয়ে যান সকলে। কেউ কেউ আছেন সেই চেনা পরিচিত জায়গায় বারবার যেতে ভালোবাসেন, তো আবার কেউ কেউ আছেন যারা কিনা একটু অফবিট জায়গায় ঘুরতে যেতে পছন্দ করেন কিংবা খোঁজ করেন। আপনিও কি এই বর্ষায় বাংলায় আশেপাশে কোনও অফবিট জায়গায় ঘুরতে যেতে চাইছেন? কিন্তু কোনও ভালো জায়গা খুঁজে পাচ্ছে না? তাহলে ঘুরে আসতে পারেন বাঁকুড়ার (Bankura) সবুজ দ্বীপ (Sabujdeep) থেকে।

বর্ষায় ঘুরে আসুন বাঁকুড়ার সবুজ দ্বীপে

না না সেই বই বা সিনেমায় দেখা আন্দামানের সবুজ দ্বীপ নয় কিন্তু। আজ কথা হচ্ছে বাঁকুড়া জেলার একদম অফবিট জায়গা ‘সবুজ দ্বীপ’ নিয়ে। এমনিতেই মানুষ বাঁকুড়ার প্রসঙ্গ উঠলেই ভেবে ওঠেন সেই টেরাকোটা মন্দির, মুকুটমনিপুর নয়তো শুশুনিয়া। তবে চিন্তা নেই, আজ আপনাদের এসব জায়গা সম্পর্কে বলে বোর করব না। আজ কথা বলব সবুজ দ্বীপ নিয়ে। জায়গাটা এতটাই অফবিট যে এখানে আসতে হলে হাতে একটা গোটা দিন আপনাকে রাখতে হবে বৈকি।

আরও পড়ুনঃ দুর্যোগের দোরগোড়ায় দক্ষিণবঙ্গ, ৭ জেলায় সতর্কতা জারি, আজকের আবহাওয়া

সবুজ দ্বীপ জায়গাটি চমৎকার ও অফবিট পর্যটন কেন্দ্র। গভীর জঙ্গল ও পাহাড়ে ঘেরা এই জলাধারটি শহরের কোলাহল থেকে দূরে শান্তিতে ছুটি কাটানোর জন্য আদর্শ ঠিকানা। সবুজ দ্বীপ বাঁকুড়ার রাইপুরে অবস্থিত। প্রকৃতির অন্যতম উপহার এই সবুজ দ্বীপ । কংসাবতী নদীর তীরে গড়ে ওঠা প্রকৃতির অপরূপ নিদর্শন হল সবুজ দ্বীপ। এই জায়গায় যাওয়ার রাস্তাটাও অতি সুন্দর। কংসাবতী নদীর তীর থেকে সেতু বা ব্রিজের উপর দিয়ে দ্বীপটিতে যেতে হয়।

কীভাবে যাবেন?

রাইপুর থেকে সবুজ দ্বীপের দূরত্ব আনুমানিক ১৮ কিলোমিটার। যারা কোলকাতা থেকে বড়দি পাহাড় বা সবুজ দ্বীপে আসবেন, তাদের প্রথমে বাঁকুড়া বা মেদিনীপুর হয়ে এই পি মোড় আসতে হবে। এখান থেকে বড়দি পাহাড় বা সবুজ দ্বীপের রাস্তা ভাগ হয়ে যাবে। পিমোড় থেকে প্রায় ৬-৭ কিমি এগিয়েই কংসাবতী নদীর ওপর বাঁধানো সেতু রাইপুর সেতু পাবেন। এরপর রাইপুর বাজার হয়ে সেখান থেকে ডানদিকে বেঁকে সোজা কিছুটা এগিয়ে পায়রাগুড়ি বাস স্টপ, ওখান থেকে ডানদিকে টার্ন নিয়ে ৭ কিমি গেলেই সবুজ দ্বীপ পৌঁছে যাবেন।