যান্ত্রিক ত্রুটিতে দেরি কলকাতা-চেন্নাই বিমান, কলকাতা এয়ারপোর্টে তুমুল বিক্ষোভ যাত্রীদের

Published:

Dumdum Airport

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিমান ছাড়তে দেরি হওয়ায় দমদম বিমানবন্দরে (Dumdum Airport) সাতসকালে যাত্রীদের তুমুল বিক্ষোভ। জানা গিয়েছে, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের (Air India Express) সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ কলকাতা থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশ্যে বিমান ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমান নির্দিষ্ট সময়ে ছাড়া হয়নি। আর তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন যাত্রীরা (Passengers)। তাঁদের বক্তব্য, এটা শুধু আজকের ঘটনা নয়। প্রায় দিনই এই বিমান সংস্থা যাত্রীদের এমন বিপাকে ফেলে।

ঠিক কী ঘটেছিল?

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ, বুধবার, সাড়ে ৬টা নাগাদ কলকাতা থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশ্যে বিমান ছাড়ার করা ছিল ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের। কিন্তু ছাড়ার কথা থাকলেও বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে, এই স্বাভাবিকভাবেই নির্দিষ্ট সময়ে বিমান ছাড়া হয়নি। এদিকে বিমান কর্তৃপক্ষের এই বিলম্ব দেখে ক্ষোভের ফেটে পড়েন যাত্রীরা। আসলে এঁদের মধ্যে অনেক যাত্রীদের কানেকটিং বিমান ধরার থাকে। জানা গিয়েছে ১৭০ জন যাত্রীকে বোর্ডিং পাসও দিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু দেরি করে বিমান ছাড়ার কথা ঘোষনা করার পরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। বাক্য বিনিময় হতে থাকে সংস্থার কর্মীদের সঙ্গে যাত্রীদের।

ক্ষুব্ধ যাত্রীরা

যান্ত্রিক ত্রুটি থাকার কারণে নির্দিষ্ট সময় বিমান ছাড়া সম্ভব না হওয়ায় তুমুল অশান্তি দেখে বিমান কর্তৃপক্ষ সকলকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। জানানো হয় দ্রুত কোনও বিকল্প ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। শেষ খবর পাওয়া অনুযায়ী, সকাল সাড়ে এগারোটার পর সংশ্লিষ্ট বিমানটি ছাড়ার ঘোষণা করা হয়েছে। যাত্রীদের অভিযোগ, বিমান কর্তৃপক্ষ যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে কতটা উদাসীন বেশ বোঝা যাচ্ছে। এদিকে নির্ধারিত সময় গন্তব্যে পৌঁছতে না পারায় যাত্রীদের পূর্বপরিকল্পিত কাজের সিডিউল ব্যাহত হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। তবে বিমানে ঠিক কী সমস্যা তা স্পষ্ট করে জানায়নি এয়ার ইন্ডিয়া।

আরও পড়ুন: তোলাবাজি চেয়ে BLRO-কে হুমকি, ডিম ছোঁড়ার অভিযোগে গ্রেফতার বীরভূমের বিজেপি নেতা

প্রসঙ্গত, গতকাল, মঙ্গলবার, কলকাতা বিমানবন্দর থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী হেলিকপ্টার করে রওনা দেওয়ার আগেই যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েছিল। শেষে সকাল ১১টা ২১ মিনিট নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারটি রওনা দিয়েছি। কিন্তু শেষে খারাপ আবহাওয়ার কারণে পশ্চিম মেদিনীপুরে না নেমে কোলাঘাটে অবতরণ করতে হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীকে। এবং পরে সড়ক পথে যেতে হয়েছিল মেদিনীপুরে।