ভারতে তৈরি হবে ১০০ কোটি প্লাস্টিক নোট, বন্ধ হবে পুরনো ১০ ও ২০ টাকা? জানিয়ে দিল RBI

Published:

Plastic note

সহেলি মিত্র, কলকাতা: প্লাস্টিকের নোট (Plastic Note) নিয়ে নতুন করে বড় সিদ্ধান্ত নিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (Reserve Bank of India)। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শীঘ্রই ভারতের বাজারে চেয়ে যাবে প্লাস্টিকের নোট বলে খবর। কেন্দ্রীয় সরকার ১০ টাকা এবং ২০ টাকা মূল্যের নতুন পলিমার বা প্লাস্টিক নোট চালুর অনুমোদন দিয়েছে। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় অর্থমন্ত্রী জানান, সরকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্য এই নোটের ১ বিলিয়ন (মোট ২ বিলিয়ন) টাকা ইস্যু করার অনুমোদন দিয়েছে।

১০ এবং ২০ প্লাস্টিকের নোট নিয়ে বড় আপডেট

RBI -এর কেন্দ্রীয় বোর্ডের সুপারিশে, ১৯৩৪ সালের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া আইনের ২৫ ধারার অধীনে ১০ টাকা এবং ২০ টাকা মূল্যের পলিমার নোটের একটি প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছিল এবং সরকার তা অনুমোদন করেছে। পরিকল্পনাটি হলো প্রাথমিকভাবে এই নোটগুলির একটি পরীক্ষামূলক প্রচলন করা। পরীক্ষা সফল হলে, এগুলি নিয়মিতভাবে চালু করা হবে। তাহলে কি পুরনো নোটগুলি বাতিল হয়ে যাবে? এই বিষয়ে সরকার স্পষ্ট করেছে যে পলিমার নোট চালু হওয়ার পরেও কাগজের ১০ এবং ২০ টাকার নোট বন্ধ করা হবে না।

আরও পড়ুনঃ এবার বাংলাদেশে ছুটবে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ ট্রেন, বিশাল অর্ডার পেল ভারত

আপাতত উভয় প্রকার নোটই একযোগে প্রচলিত থাকবে। আরবিআই জানিয়েছে যে প্লাস্টিক নোট কেনার প্রক্রিয়া এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তাই, এই নোটগুলি কখন জনসাধারণের কাছে পৌঁছাবে এবং এগুলির দাম কত হবে তা নিশ্চিত নয়।

পলিমার নোট কী?

পলিমার নোট কাগজের পরিবর্তে এক বিশেষ প্লাস্টিকের মতো উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়। এগুলি বেশি মজবুত এবং জল বা আর্দ্রতার কারণে সহজে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। এগুলিকে প্লাস্টিক নোটও বলা হয়। বিশ্বের অনেক দেশেই এই ধরনের নোট ইইতিমধ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে। ভারতেও স্বল্প পরিসরে এগুলির পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এগুলির সুবিধা সম্পর্কে বললে জল, ঘাম এবং বারবার ব্যবহারের কারণে প্রচলিত কাগজের নোট সহজেই ছিঁড়ে যেতে পারে বা এর রঙ ফিকে হয়ে যেতে পারে। প্লাস্টিকের নোট কাগজের নোটের চেয়ে প্রায় ৩ থেকে ৫ গুণ বেশি দিন টেকে। এই নোটগুলোতে সহজে ময়লা, জল বা তেল লাগে না, যার কারণে এগুলো দীর্ঘ সময় ধরে পরিষ্কার থাকে। পলিমার নোটে উন্নত নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকায় এগুলোর জাল করা খুবই কঠিন । এই নোটগুলো পুরোনো হয়ে গেলে, সেগুলো পুনর্ব্যবহার করে অন্যান্য প্লাস্টিক পণ্য তৈরি করা যায়।