এবার বাংলাদেশে ছুটবে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ ট্রেন, বিশাল অর্ডার পেল ভারত

Published:

Updated:

Bangladesh Railway

সহেলি মিত্র, কলকাতা: এবার বাংলাদেশে ছুটবে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ ট্রেন। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের (Bangladesh Railway) জন্য পাঞ্জাবের কাপুরথালায় অবস্থিত রেল কোচ ফ্যাক্টরিতে (আরসিএফ) নির্মিত ১৯টি এলএইচবি কোচের প্রথম ট্রেনটি বা রেক বাংলাদেশ রেলওয়েতে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই কোচগুলোতে বেশ কিছু নকশা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা প্রথমবারের মতো এলএইচবি কোচে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে ছুটবে ভারতের তৈরী ট্রেন

জনা গিয়েছে, আরসিএফ কাপুরথালা ২০২৬ সালের ১২ই আগস্ট বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ১৯টি এলএইচবি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচের প্রথম রেকটি সরবরাহ করবে। ইতিমধ্যে ২০০টি ট্রেনের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য নির্মিত এই উদ্বোধনী ট্রেনটিতে তিনটি এসি স্লিপার কোচ, তিনটি এসি চেয়ার কার, ১১টি নন-এসি চেয়ার কার এবং দুটি পাওয়ার কারসহ মোট ১৯টি এলএইচবি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ রয়েছে। যাত্রীদের চাহিদা এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা মেটাতে এই কোচগুলোকে বিশেষভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে।

এই কোচগুলো বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালনগত ও যাত্রী চাহিদা মেটাতে বিশেষভাবে  ডিজাইন করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্টের কথা বললে, দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে হতাহতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে কোচগুলো ইউরোপীয় নিরাপত্তা মান অনুযায়ী এবং সংঘর্ষ-সহনশীল প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ফের চালু পুরুলিয়া-কলকাতার এই রুটের বাস, জানুন সময়সূচি

কোচগুলির বৈশিষ্ট্য কী?

এই কোচগুলিতে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হেলান দেওয়া যায় এমন চেয়ার, স্টেইনলেস স্টিলের হাতল এবং পা রাখার জায়গা থাকবে। যাত্রীদের আরামের জন্য একাধিক হেলান দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এসি কোচগুলিতে ফ্যানও রয়েছে। এছাড়াও, যাত্রীকেন্দ্রিক সমন্বিত সুযোগ-সুবিধাগুলি যত্ন সহকারে বিবেচনা করা হয়েছে। সূত্রের খবর, বলা হচ্ছে যে, ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ কোচের এই চালানটি ভারতের রেল প্রযুক্তিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে সাহায্য করবে। এছাড়াও, এটি ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশ থেকে ভারতীয় রেলের কোচ ও প্রযুক্তির জন্য নতুন অর্ডারের পথও খুলে দিতে পারে।এই উন্মোচন ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রেল সহযোগিতা আরও জোরদার করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই রেকটির সফল উন্মোচন দুই দেশের মধ্যে রেল খাতে সহযোগিতা আরও বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।