অনন্যা সরকার: অক্টোবরের শেষের দিকে গ্রহের অবস্থানে বিশেষ পরিবর্তন ঘটতে চলেছে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, আগামী ৩১ অক্টোবর ‘দেবগুরু’ বৃহস্পতি তার রাশি পরিবর্তন (Jupiter Transit) করবে। কর্কট রাশি থেকে সিংহ রাশিতে হবে বৃহস্পতির গোচর। বৃহস্পতি জ্ঞান, সম্পদ, উন্নতি এবং সৌভাগ্যের কারক গ্রহ। তাই এই গ্রহ-পরিবর্তন বা গোচর বিভিন্ন রাশির ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলতে চলেছে। জ্যোতিষ বিশারদরা জানাচ্ছেন, এই পরিবর্তনের ফলে চারটি নির্দিষ্ট রাশির ওপর বিশেষ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর্থিক দিক ও নতুন সুযোগ থেকে শুরু করে চাকরি ও ব্যবসা – বিভিন্ন ক্ষেত্রে একাধিক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। কোন কোন রাশি এই তালিকায় রয়েছে, চলুন জেনে নেওয়া যাক।
মেষ রাশি
বৃহস্পতির গোচরের কারণে মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের আটকে থাকা কাজগুলো সুসম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগের আর্থিক চাপ কমে আসতে পারে এবং আয় বৃদ্ধির নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। কর্মক্ষেত্রের বিবাদ ধীরে ধীরে মিটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সামনে আসা নতুন সুযোগগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য এটি উপযুক্ত সময় হতে পারে।
কর্কট রাশি
বৃহস্পতি কর্কট রাশি থেকে সিংহ রাশিতে প্রবেশ করবে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, এই পরিবর্তন কর্কট রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও শুভ হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি ও বেতন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যবসায়ে নতুন বিনিয়োগ আসতে পারে এবং মুনাফা বৃদ্ধিরও সুযোগ রয়েছে। এছাড়া, অপ্রয়োজনীয় জটিলতা এড়ানোর সুযোগও তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন: পুজোর আগে ঝকঝকে করে ফেলুন বাড়িঘর, রইল সহজ ৩ উপায়
সিংহ রাশি
আগামী ৩১ অক্টোবরের পর বৃহস্পতি সিংহ রাশিতে অবস্থান করবে। ফলে এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সময়টি অত্যন্ত শুভ হয়ে উঠতে চলেছে। কর্মক্ষেত্রে নতুন দায়িত্ব বা পেশাগত স্বীকৃতি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এ সময় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সাহায্যও মিলতে পারে। ব্যবসার ক্ষেত্রে নতুন কৌশল লাভবান করবে এবং আয়ের নতুন পথ উন্মোচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তুলা রাশি
বৃহস্পতির গোচরের ফলে তুলা রাশির জাতক-জাতিকারা তাঁদের দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রমের সুফল পেতে পারেন। চাকরি বদল বা নতুন কোনো দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ আসতে পারে। ব্যবসায়ীদের ব্যবসা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নতুন কোনো স্থানে ব্যবসা শুরু বা নতুন শাখা খোলার পরিকল্পনাও করতে পারেন এই সময়। পাশাপাশি আর্থিক উন্নতি ও স্বস্তি মিলতে পারে।
বিঃ দ্রঃ – এই নিবন্ধটি জ্যোতিষশাস্ত্রের ঐতিহ্যগত ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। এটি কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বা নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী নয়।










