কলকল করে বয়ে চলেছে দাবাইখোলা নদী, পুজোর ছুটিতে ঘুরে আসুন পালাতোদে

Published:

Palatode

সহেলি মিত্র, কলকাতা: শহরের কোলাহল ছেড়ে আপনিও দুদিনের জন্য কোনও নিরিবিলি জায়গায় যাবেন বলে ভাবছেন? কোনও আদর্শ জায়গা খুঁজছেন? তাহলে ঘুরে আসতে পারেন একদম অফবিট ও ছবির মতো সুন্দর গ্রাম ‘পালাতোদে’ (Palatode) থেকে। এই জায়গা এক টুকরো স্বর্গ যেন। এখানে এলে আপনার চোখ ধাঁধিয়ে যেতে বাধ্য। এখানে আপনি হোমস্টেতে বসেই ভুটানের পাহাড় দেখতে পারবেন, যা আপনার মন জুরিয়ে দিতে বাধ্য।

দুদিনের ছুটিতে ঘুরে আসুন ‘পালাতোদে’

পালাতোদে… কালিম্পং (Offbeat Kalimpong) জেলায় ৫০০০ ফুট উচ্চতায় ভুটান সীমান্ত লাগোয়া নিরিবিলি পাহাড়ি গ্রাম। যারা নিরিবিলিতে ছুটি কাটাতে পছন্দ করেন তাঁদের জন্য একদম আদর্শ জায়গা হল পালাতোদে। যাঁরা ফোন, অফিসের ডেডলাইন, বসের গালাগালি থেকে কয়েকটা দূরে থাকতে চান, তাঁদের ছুটি কাটানোর আদর্শ জায়গা এই গ্ৰাম। তড়িঘড়ি ট্যুর যাঁরা পছন্দ করেন না, তাঁদের জন্য এই গ্ৰাম। পাহাড়, সবুজ গাছগাছালি আর হরেক রকম পাখির ডাক পালাতোদে-এ আপনাকে স্বাগত জানাবে। হাত বাড়ালেই ভুটানের পাহাড়, নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত যার শীর্ষদেশ বরফে মোড়া থাকে।

এখানে আপনি এলাচের জঙ্গলে হাঁটাহাঁটি করতে পারবেন, এমনকি হাত বাড়িয়ে স্কোয়াশ তুলে নিতে পারেন। সঙ্গে নানা ওষধি গাছের সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন। এছাড়াও আশেপাশে ঘুরে দেখার জন্য গাড়ি নিয়ে ঘুরে আসুন দ্রুক থেক সাম চোলিং মন্যাস্টেরি, আর দাবাইখোলা নদী রয়েছেই। সবথেকে আকর্ষণীয় বিষয় হল নদীর ও পারেই ভুটান। বরফঠান্ডা জলে অল্প স্রোত ঠেলে পায়ের পাতা ডুবিয়ে চলে যান ওপারে, ভুটানের মাটি ছুঁয়ে আসুন। নদীর পাড়ে জমিয়ে পিকনিক করতে পারেন। কাছেপিঠেই রয়েছে ঝালং-পারেন-বিন্দু। হাতে সময় থাকলে ডুয়ার্সের অতি পরিচিত এই তিন পর্যটনকেন্দ্র থেকে অনায়াসেই ঘুরে আসতে পারেন।

কীভাবে যাবেন?

পালাতোদে কীভাবে পৌঁছাবেন নিশ্চয়ই ভাবছেন? সেক্ষেত্রে আগে আপনাকে নিউ মাল জংশন পৌঁছাতে হবে। এরপর সেখান থেকে নিজের গন্তব্য অবধি রিজার্ভ গাড়ি ভাড়া করতে হবে।