হিমালয়ের কোলে লুকনো স্বর্গ, ঘুরে আসুন এনজিপির কাছের হিল স্টেশন থেকে

Published:

bunkulung

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ উত্তরবঙ্গ বলতেই প্রথমে মাথায় আসে দার্জিলিং, কালিম্পং নয়তো সিকিম। কিন্তু গুটিকয়েক জনপ্রিয় জায়গা ছাড়াও এমন কিছু অফবিট জায়গা আছে হয় যেখানে পর্যটকদের পা কম পড়েছে কিংবা অনেকে নামই শোনেননি। আজকের এই প্রতিবেদনে তেমনই একটি জায়গা নিয়ে আলোচনা হবে যেখানে না আপনি কখনও গিয়েছেন বা জায়গাটি সম্পর্কে শুনেছেন। আপনিও যদি পাহাড়ের কোলে গরমের ছুটি কাটাতে ইচ্ছুক হয়ে থাকেন তাহলে ঘুরে আসতে পারেন ‘বুংকুলুং’ (Bunkulung) থেকে।

গরমের ছুটিতে ঘুরে আসুন বুংকুলুং

জঙ্গল, পাহাড়, নদী দিয়ে ঘেরা বুংকুলুং আপনার মনকে শান্তিতে ভরিয়ে তুলবেন। এখানে একবার পৌঁছে গেলে ভাববেন, ইসস আগে কেন এখানে আসেননি। সিংবুল টি এস্টেট, চা বাগান, নদী উপভোগ করতে পারবেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। চা বাগানের আঁকা বাঁকা পথ দিয়ে হেঁটে আপনি নাম না জানা কিছু নদীর পাড়ে পৌঁছে যাবেন যা আপনাকে এক আলাদাই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা প্রদান করবে।

কী কী দেখবেন?

গ্রামে হেঁটে বেড়াতে পারেন এবং নদীর ধারে হাইকিং করতে পারেন। এছাড়াও ঘুরে দেখতে পারেন বালাসুন নদী, মুরমা খোলার। নদীর জলের ঘণ্টার পর ঘণ্টা পা ডুবিয়ে বসে থাকা যায়। ঐতিহাসিক বোকার মঠ ঘুরে দেখতে ভুলবেন না।  এখানে থাকার জন্য আপনি বেশ কিছু হোমস্টে, ইকো হাট পেয়ে যাবেন। হ্যাঁ এখানে এসে কিন্তু খুব লাক্সারি হোটেলের সন্ধান করলে হতাশ হবেন। হোমস্টে-তে বসে এক কাপ চা হাতে নিয়ে মনোরম সূর্যোদয়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ আরও ২ ঘণ্টা কমে উত্তরবঙ্গে, তিস্তা তোর্ষা এক্সপ্রেসের সময় কমাচ্ছে রেল

কীভাবে পৌঁছাবেন?

নিশ্চয়ই ভাবছেন বুংকুলুং কীভাবে পৌঁছাবেন? তাহলে সেক্ষেত্রে আপনাকে কলকাতা থেকে ট্রেনে বা বাসে করে এনজেপি, শিলিগুড়ি পৌঁছাতে হবে। এরপর সেখান থেকে প্রাইভেট গাড়ি ভাড়া করে মিরিক হয়ে বুংকুলুং যেতে পারবেন। দূরত্ব ৫০ কিলোমিটার মতো। এছাড়াও আপনি মিরিক অবধি শেয়ার গাড়িতে এসে সেখান থেকে নতুন একটি গাড়ি ভাড়া করে বুংকুলুং পৌঁছে যেতে পারবেন। দার্জিলিং থেকে মিরিক, সৌরিনী হয়ে বুংকুলুং যাওয়া যায়। এই বুংকুলুং থেকে আপনি মিরিক লেকও ঘুরে আসতে পারেন।