সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বর্ষাকাল বাংলার দোরগোড়ায় এসে হাজির হয়েছে। আর এই সময়ে পাহাড়, জঙ্গলে ঘেরা কোনও জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার মজা দ্বিগুণ হয়ে যায়। গাছ পালা, মাঠ, পাহাড় সবুজ হয়ে ওঠে, নদী, লেক, ঝর্ণার জল জলে টইটুম্বুর হয়ে ওঠে। তবে কোথায় যাওয়া যায় এই সময়ে, এই প্রশ্ন সকলেরই থাকে। আপনিও কি এই বর্ষায় কোনও অফবিট জায়গায় যেতে চাইছেন? কিন্তু কোথায় বুঝতে পারছেন না? তাহলে তালিকায় রাখতে পারেন বাংলার একদম অফবিট জায়গা বাঁশপাহাড়ি (Banspahari)। কোথায় অবস্থিত এই বাঁশপাহাড়ি?
বর্ষায় ঘুরে আসুন বাঁশপাহাড়ি
শহরের সেই রোজনামচা রুটিন, কোলাহল ছাড়িয়ে ঘুরে আসতে পারেন বাঁকুড়ার বাঁশপাহাড়ি থেকে। দেখলে মনে হবে উটির কোথাও চলে এসেছেন। এখানকার ল্যান্ডস্কেপ দেখলে আপনার এটা মনে হতে বাধ্য। জঙ্গলে মধ্যে রয়েছে থাকার জন্য জায়গা। ভাবুন, জঙ্গলে অঝোরে বৃষ্টি পড়ছে আর হাতে চা বা কফি হাতে জানলা থেকে বাইরে দৃশ্য উপভোগ করছেন। কী লোভ লাগছে না? আগে জঙ্গলমহল নাম শুনলেই মানুষ ভয়ে শিটিয়ে যেতেন, তবে এখন সেসব ভয় অনেকটাই কেটে গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ দক্ষিণবঙ্গের ১০ জেলায় দুর্যোগ, তবে বাড়বে গরমও! আজকের আবহাওয়া
জায়গায় জায়গায় গজিয়ে উঠেছে হোটেল, রিসোর্ট। বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলে অবস্থিত বাঁশপাহাড়ি একটি ছোট্ট জনপদ যেখানে গেলে আপনার মন ভালো হয়ে যাবেই যাবে। জঙ্গলের ভেতরে রয়েছে সুন্দর এবং ছিমছাম হোমস্টে। এখানকার শান্ত পরিবেশ, শাল-মহুয়ার জঙ্গল আপনাকে মুগ্ধ করবে। বাঁকুড়া জেলায় রয়েছে নানা পাহাড় ও টিলা। ফলে বাঁশ পাহাড়ি ভ্রমণের পাশাপাশি আপনি বাঁকুড়ার আরও নানান জায়গা ঘুরে দেখতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন কীভাবে যাবেন? সেক্ষেত্রে আপনার কাছে যদি নিজের গাড়ি থেকে থাকে তাহলে আপনি ভায়া বিষ্ণুপুর, সিমলাপাল, খাতরা হয়ে বাঁশপাহাড়ি যেতে পারেন। এছাড়াও ট্রেনে করে প্রথমে বিষ্ণুপুর, তারপর সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে এখানে চলে আসতে পারেন।










