কংসাবতীর তীরে প্রকৃতি ও নির্জনতার অনন্য মিলন, বর্ষায় ঘুরে আসুন হাতিপাথর

Published:

Hatipathar

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বর্ষায় পাহাড়ে যাওয়ার নাম শুনলেই আঁতকে ওঠার দিন শেষ। কারণ আজ আপনাদের আমি এমন এক জায়গার সন্ধান দেব যেখানে না আপনি কখনও গিয়েছেন কিংবা সেখানকার নাম শুনেছেন। মানুষ পুরুলিয়া মানেই হয় অযোধ্যা পাহাড়, চরিদা গ্রাম, বামনি ফলস। তবে দাঁড়ান, আজ আপনাদের আরও এক এমন সুন্দর জায়গার খোঁজ দেব যেখানে গেলে আপনার চোখ ধাঁধিয়ে যাবে। ভাবতে বাধ্য হবেন, পুরুলিয়া (Purulia) গিয়েছে কেন এখানে আসেননি। আজ কথা হচ্ছে একদম অফবিট ‘হাতিপাথর’ (Hatipathar) নিয়ে।

বর্ষায় ঘুরে আসুন পুরুলিয়ার এই অফবিট জায়গা থেকে

হাতিপাথর… পুরুলিয়ার এক নতুন অফবিট। পুরুলিয়া জেলার মানবাজারের জিতুজুড়িতে রয়েছে এই হাতিপাথর। এই জায়গায় যাওয়ার রাস্তাটাও দুর্দান্ত। কংসাবতী নদীর ধারে বিশাল আকৃতি এই জঙ্গলের পথ দিয়ে যেতে হয় হাতিপাথরে। জায়গাটি একদমই নির্জন। এই নির্জন বন যখন পেরোতে হয়, তখন মনের আনাচে-কানাচে ভেসে ওঠে অনেক সাহিত্য উপন্যাসের কথা। পৃথিবীর সৌন্দর্য কাকে বলে তা আপনি এখানে এসেও বুঝতে পারবেন।

আরও পড়ুন: বানভাসি কলকাতা! আজও দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় ভারী বৃষ্টির ভ্রূকুটি, আবহাওয়ার খবর

নিজের অজান্তেই মনে নেমে আসে এক আলাদা রকম প্রশান্তি, ভালোলাগাটা বাড়তে থাকবে। এক আলাদাই অনুভূতি আপনাকে আষ্টেপৃষ্ঠে জরিয়ে ফেলবেন। এখানে থাকার জন্য বেশ কিছু ক্যাম্প পাবেন। ক্যাম্পের পাশ দিয়ে কংসাবতী নদী বয়ে যাচ্ছে। নদীর উপরে একটি পাথর নাকি হাতির মতো দেখতে। একদিন ছুটি কাটানোর জন্য বেশ শান্তিপূর্ণ জায়গা, মন ভালো হয়ে যাওয়ায় মত জায়গা। গ্রামটিও বেশ সুন্দর এবং ছিমছাম।

কিভাবে যাবেন?

কলকাতা থেকে ট্রেনে বা বাসে পুরুলিয়া রেল স্টেশনে অথবা বাসস্ট্যান্ডে আসতে হবে। এরপর বাসস্ট্যান্ড থেকে মানবাজারগামী যে কোনও বাসেই ঘন্টাখানে যাওয়ার পর জিতুজুরিতে নামতে হবে, পুরুলিয়া থেকে যার দূরত্ব ৪৫ কিলোমিটার। আপনারা গাড়ি ভাড়া করেও আসতে পারেন। জিতুজুরি মোড় থেকে জিতুজুরি গ্রাম পেরিয়ে প্রায় আড়াই তিন কিলোমিটার জঙ্গল পেরিয়ে কংসাবতীর ধারে রয়েছে হাতিপাথর।

google button