প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বাঙালির রান্নাঘরে কম বেশি সকলের বাড়িতেই বিভিন্ন রকম শাকের দেখা পাওয়া যায়। পালং শাক, কলমি শাক, লাল শাক, পুঁই শাক, কচু শাক, ঢেঁকি শাক, পাট শাক ইত্যাদি। যদিও বাজারে ছোট ছোট আঁটি বেঁধে বিক্রি হওয়া এই শাকগুলো স্বাস্থ্যের (Health Tips) পক্ষে বেশ ভালো। তবে এই সকল শাকের মধ্যে জনপ্রিয় হল লাল শাক (Red Amaranth) এবং পালং শাক (Spinach)। কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে লাল শাক খাওয়া ভালো নাকি পালং শাক। চলুন আমাদের আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
পালং শাকের গুণাগুণ
শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় পালং শাক। বিভিন্ন ধরনের প্রদাহ কমাতে ও ঠান্ডা-কাশির সমস্যা কমাতে কাজে আসতে পারে এই শাক। পাশাপাশি এই শাকে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন এ, ফোলেট, ফসফরাস, থিয়ামিন, ফাইবার সহ একাধিক জরুরি উপাদান। নিয়মিত পালং শাক খেলে ডায়াবিটিস থেকে শুরু করে কোলেস্টেরল, অ্যাজমা, হাই ব্লাড প্রেশারের মতো অসুখ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে।
লাল শাকের গুণাগুণ
লাল শাকেও রয়েছে ভিটামিন এবং খনিজের ভাণ্ডার। জানা গিয়েছে ফাইবার সমৃদ্ধ এই শাকে ভিটামিন কে, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, কপার, জিঙ্ক, আয়রন, পটাশিয়ামের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে। বাড়বে ইমিউনিটি, এমনকী চোখের স্বাস্থ্যের হাল ফেরানোর কাজেও এই শাকের জুড়ি মেলা ভার। তাই নিয়মিত লাল শাক খাওয়া শরীরের পক্ষে ব্যাপক উপকারী।
আরও পড়ুন: এই ৪ স্বপ্ন দেখলেই বুঝবেন আসছে সুসময়
কোনটা বেশি উপকারী?
যেহেতু লাল শাক এবং পালং শাক দুটোই স্বাস্থ্যের পক্ষে ব্যাপক উপকারী সেক্ষেত্রে এদের মধ্যে সেরা কে তা বাছাই করা অনেকটাই দুষ্কর। তবে চিকিৎসকদের মতে পালং শাকের তুলনায় লাল শাকে বিটা ক্যারোটিন অনেকটা বেশি রয়েছে। ফলস্বরূপ ক্যারোটেনিমিয়া নামক একটি রোগ হয়। অন্যদিকে পালং শাক দেহের সার্বিক স্বাস্থ্য বজায় রাখে। তাই নীরোগ জীবন কাটানোর জন্য দুই শাকই পরিমাণ বুঝে খাওয়া উচিত।










