ঘন ঘন চোখ শুকিয়ে যাচ্ছে? মেনে চলুন এই ৪ ঘরোয়া টোটকা

Published:

Home Remedies For Dry Eye

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: কাজের খাতিরে অনেকসময় একটানা তাকিয়ে থাকতে হয় কম্পিউটার বা ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে। অথবা বেশিরভাগ সময় এখন ফোনের চার দেওয়ালের স্ক্রিনে চোখ (Eye) আটকে থাকে সকলের, আর তাতেই বাড়ে সমস্যা। এই প্রবণতা বাড়তে থাকায় জল শুকোচ্ছে চোখের। ড্রাই আই (Dry Eye) বা শুষ্ক চোখের সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। তার উপর প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ায় বাড়ছে সেই সমস্যা। তাই আমাদের আজকের প্রতিবেদন নিয়ে এসেছে বেশ কিছু ঘরোয়া টোটকা (Home Remedies For Dry Eye), যার মাধ্যমে চোখের শুষ্কতা এবং রুক্ষতা কমে।

জল পান করুন

চোখের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম কার্যকরী উপাদান হল জল। দিনে প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া খুব জরুরি। কারণ জল খেলে শরীরের সমস্ত তরল পদার্থ সঠিকভাবে শরীরে সরবরাহ হয়। তবে মনে রাখবেন অতিরিক্ত কফি, অ্যালকোহল এবং ক্যাফিনযুক্ত অন্যান্য পানীয় শরীরের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়। তাই প্রচুর পরিমাণে জলযুক্ত ফল যেমন তরমুজ, শসা, স্ট্রবেরি, পিচ ইত্যাদি খেতে হবে।

ডিজিটাল স্ক্রিনে কম নজর

ডিজিটাল স্ক্রিনে এক নাগাড়ে অনেক্ষণ তাকিয়ে থাকলে চোখ তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়, তাই এক নাগাড়ে না তাকিয়ে অনরবত চোখের পাতা ফেলতে থাকুন। এতে চোখের জল সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও কম্পিউটার বা ফোনে কাজ করার সময় এক নাগাড়ে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। ২০ মিনিট অন্তর অন্তর কম্পিউটারের মনিটর থেকে চোখ সরিয়ে কয়েক সেকেন্ড চোখকে বিশ্রাম দিতে হবে। এতে চোখের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

চোখে ঘন ঘন জলের ঝাপটা

আমরা সকলেই ঘুম থেকে উঠে পরিষ্কার জল দিয়ে মুখ ধুই, ওই সময় ভালো করে চোখ ধোওয়ার অভ্যাস রাখাটাও অত্যন্ত দরকার। কাজের মাঝেও ভালো করে চোখে জলের ঝাপটা দিয়ে হবে। চোখ ধোওয়ার পর শুকনো নরম কাপড় দিয়ে চোখ মুছতে হবে। এতে চোখ ঠান্ডা এবং আর্দ্র থাকবে। দেখবেন মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়লেও চোখে জলের ঝাপটা দিলে জলদি ঠিক হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: বালিশের নিচে ভুলেও রাখবেন না এই ৫ জিনিস, নইলে দুর্ভাগ্য এবং দুর্যোগ নেমে আসবে সংসারে

খেতে হবে ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার

চোখের সুস্থতার জন্য ডায়েটে সব সময় ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার খেতে হবে। কারণ এর প্রাকৃতিক তেল চোখের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও ডিম, তেলযুক্ত মাছ, আখরোট, ফ্লেক্স বীজ ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। তাই এগুলিও ডায়েটে রাখা খুব জরুরি।

Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ সংগৃহীত প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে আরও বিস্তারিত জানতে হলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।