সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা পিটিশনের প্রেক্ষিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার পাঠানো নোটিসের জবাব দিতে আরও দুই সপ্তাহ সময় চাইলেন এনসিপিআই-এর ২০ জন সাংসদ (NCPI MPs)। এর আগে ৮ অক্টোবর নির্ধারিত দিন শেষ হলেও জবাব দিতে পারেননি তাঁরা। সেবারও সময় চেয়েছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। তবে লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে এবার আরও দুই সপ্তাহ সময় চাইলেন দলত্যাগী সাংসদরা।
নোটিশের জবাব দিতে প্রয়োজন আরও দুই সপ্তাহ সময়
গত ৮ অক্টোবর এই ২০ জন সাংসদ নোটিশের জবাব দিতে চেয়েছিলেন দুই সপ্তাহ সময়। তবে সেই সময়সীমা আজ শেষ হওয়ার আগেই পুনরায় অতিরিক্ত সময় চেয়ে স্পিকারকে চিঠি পাঠিয়েছেন কাকলিরা। ৮ অক্টোবর নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর জবাব তৈরি না হওয়ায় তৃণমূল ত্যাগী ২০ জন সাংসদের আইনজীবীরা দুই সপ্তাহ সময় চেয়েছিলেন। তবে তাতেও জবাব দিতে ব্যর্থ এনসিপিআই সাংসদরা। তাই তাঁদের প্রার্থীপদ সংক্রান্ত মামলা আপাতত ঝুলেই রইল।
প্রসঙ্গত, তৃণমূলের ভরাডুবির পর বিধানসভার পাশাপাশি ভাঙে লোকসভা। কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ২০ জন সাংসদ নিজেদের বিদ্রোহী হিসেবে ঘোষণা করেন। মাস চারেক এক আগে তাঁরা তৃণমূল ছেড়ে যোগদান করেন এনসিপিআইতে। এমনকি শোনা যাচ্ছে, তাঁরা বিজেপিতেও যোগদান করতে পারেন। তবে তাঁদের পদ বাতিলের দাবিতেই আবেদন জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বিষয়ে স্পিকার কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানানো হয়। কিন্তু সেই নোটিশের জবাব দিতে ব্যর্থ সাংসদরা।
আরও পড়ুন: ১১ বছরের সম্পর্কের ইতি, বিজেপি ছাড়লেন প্রাক্তন বিধায়ক
এ বিষয়ে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে লেখেন, “দিল্লির ধোপাবাড়ি যাওয়া বেইমানগুলো নিজেদের দলীয় অবস্থান জানাতে পুজোকে ছুতো করে আরও দুই সপ্তাহ সময় চেয়ে চিঠি দিয়েছে। এদিকে কলকাতায় মোদিজি আর শুভেন্দুর ছবিসহ ২০ জনের মুখ দিয়ে এনসিপিআই পোস্টার, হোর্ডিং করতে দিয়েছে। কোনও এক ‘বন গয়া জেন্টলম্যান’ নাকি করে দিচ্ছে। লক্ষ্য পুরভোটে তাঁর ছেলের টিকিট। বিজেপির বেলেঘাটার কর্মীরা মানবে তো?…. যাঁরা বাহুবল, অর্থবলে তৃণমূলটাকে চুষে খেয়েছে, তাঁরাই এখন বিজেপি বা এনসিপিআই-র মাধ্যমে বিজেপি দখল করতে চলছে। বিজেপির নেতা-কর্মীরা ভেবে দেখবেন।”










