‘নন্দীগ্রামে প্রার্থীই পাবে না তৃণমূল’, বড় মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর

Published:

Suvendu Adhikari

সহেলি মিত্র, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের পর আবারও একবার ভোট হতে চলেছে বাংলায়! অবশ্য এটা হবে উপনির্বাচন। আসন্ন এই নির্বাচন নিয়ে শাসক দল যে একদম আত্মবিশ্বাস সেটা ভালোভাবে বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নজরে সেই নন্দীগ্রাম। ভোটে জিতে এবং সর্বোপরি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর মেচেদা পৌঁছান শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখান থেকেই নন্দীগ্রাম (Nandigram Election) নিয়ে বড় মন্তব্য করতে শোনা গেল তাঁকে। জানালেন আগামী দুই মাসের মধ্যে নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হবে। সেইসঙ্গে তৃণমূলকেও চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।

নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন?

আজ রবিবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদায় গিয়ে সাংগঠনিক বৈঠকে হাজির হন শুভেন্দু। সেখানে বিজেপির নেতা কর্মীদের মনোবল বাড়াতে বেশ ঝাঁঝালো মন্তব্য করেন। এদিন সংগঠন ও ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নিয়ে বৈঠক হয়। সূত্রের খবর, এদিন তিনি বলেন, ‘ভোট পর্যালোচনা করুন। কর্মীরা আমার চোখে ভগবান, জনতা জনার্দন। দেখবেন সিপিএম, টিএমসির সনাতনীরাও বিজেপিকে ভোট দেবে। সবাই এক হয়ে থাকুন।’ এদিন নন্দীগ্রামে ভোট নিয়ে বড় মন্তব্য করতে শোনা যায় শুভেন্দু অধিকারীকে। তাঁর বক্তব্য, ‘নন্দীগ্রাম নিয়ে কিছু বলছি না। বলছি, স্থানীয় স্তরে ভোট হলে কী কালীঘাট তৃণমূল, কী নতুন তৃণমূল, কেউ ভোটে দাঁড় করানোর লোক পাবে না। ওরা আগে প্রার্থী দিতে পারুক, তারপর বলব।’

আরও পড়ুনঃ প্রতিমাসে আয় হবে ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা! কীভাবে? জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

দুই তৃণমূলকে নিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

তিনি আরও বলেন, ‘হলদিয়া পুরসভা ভোটের প্রস্তুতি নিন। ওয়ার্ড বাড়বে।’  মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘স্থানীয় স্তরে নির্বাচনের ক্ষেত্রে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত তৃণমূলের অবস্থা এক। প্রত্যেকের বেহাল দশা। ভোটে দাঁড় করানোর লোক পাবে না। দুটো জিনিসের উপর ভর করে তো তৃণমূল ছিল। এক হলো পুলিশ আর দুই আইপ্যাক। এখন তো পুলিশ নেই, সরকার বদল হয়ে গেছে। আর আইপ্যাক তো ভোটের আগেই পাট গুটিয়ে চলে গিয়েছে। এখন রাজ্যে তোলাবাজি বন্ধ হয়েছে, সিন্ডিকেট বন্ধ হয়েছে, রাস্তায় হাত পাতা বন্ধ হয়েছে। রাজ্যে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। আর একটু সময়, ধৈর্য ধরুন।’