বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: আগামী 29 এপ্রিল বাংলায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচন (West Bengal Elections 2026)। তার আগে প্রচারের ঝাঁজ বাড়াচ্ছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে শুরু করে বিজেপি সহ অন্যান্য বিরোধীরা। সেই আবহেও দলত্যাগের ধুম কমেনি। শনিবার, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর নির্বাচনী সফরের ঠিক আগেই মগরাহাট কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী আব্দুল মাজিদ হালদার তৃণমূলে যোগ দেন। ভোটের ঠিক আগে হাত শিবির থেকে প্রার্থীর তৃণমূলে আগমন শাসক দলের শক্তি কিছুটা বাড়িয়েছে সে কথা বলাই যায়।
প্রার্থী সহ শতাধিক কংগ্রেস কর্মী এখন তৃণমূলে
জানা গিয়েছে, গতকাল অর্থাৎ শনিবার মগরাহাট কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থীর পাশাপাশি এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দিয়েছেন হাত-শিবিরের শতাধিক কর্মী। শুধু তাই নয়, তৃণমূলের ঝান্ডা ধরেই বিদায়ী কংগ্রেস প্রার্থী সহ বাকিরা বলছেন, কংগ্রেসের যোগ দেওয়াটাই তাদের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। সেটা বুঝতে পেরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূলে যোগদান করলেন তাঁরা।
এদিন, তৃণমূল কংগ্রেসের মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের প্রার্থী শামীম আহমেদের হাত ধরে তৃণমূল শিবিরে পা রাখেন কংগ্রেস প্রার্থী সহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা। যেই ঘটনায় বেড়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী শামীম আহমেদ বলেন, “মগরাহাট পশ্চিমের মানুষ উন্নয়ন চায়, শান্তি চায়। যেভাবে বিভিন্ন এলাকা থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দিচ্ছেন, তাতে বোঝাই যায় উন্নয়নের রাজনীতিতেই আস্থা রয়েছে তাঁদের।”
অবশ্যই পড়ুন: মে মাসে ১২ দিন ব্যাঙ্ক ছুটি, দেখে নিন RBI-র হলিডে লিস্ট
উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে এসে কয়েক দফা প্রচার সেরেছেন সাংসদ তথা জাতীয় কংগ্রেসের প্রধান মুখ রাহুল গান্ধী। বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে সভা করে বিজেপির পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেসকে সরাসরি আক্রমণ করছেন তিনি। এক কথায়, রাজ্যে কংগ্রেসের শক্তি বাড়াতে নির্বাচনের আগে নিজেকে কার্যত নিংড়ে দিচ্ছেন রাহুল।










