বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পুষ্পা বনাম সিঙ্ঘম! বিধানসভা নির্বাচনের সময় ডায়মন্ড হারবারের ফলতায় ধরা পড়েছিল একেবারে ভিন্ন চিত্র। তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান (Jahangir Khan) বনাম পুলিশ অবজারভার আইপিএস অজয় পাল শর্মার একে অপরের বিরুদ্ধে তোলা আওয়াজ শোরগোল ফেলেছিল নানা মহলে। যদিও বিধানসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে। তবে ফলতায় আগামী 21 মে পুনর্নির্বাচন। আর তার ঠিক আগেই প্রকাশ্যে এসে বড় মন্তব্য করলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান।
পুনর্নির্বাচনের আগে বড় বয়ান তৃণমূল প্রার্থীর
আগামী 21 মে, ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে শনিবার সেখানে বিজেপির কর্মী সভায় যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডার সমর্থনে সভা থেকে বক্তব্য রাখবেন তিনি। যা নিয়ে আগে থেকেই রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে। ঠিক সেই আবহে বহুদিন পর প্রকাশ্যে এলেন ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান। বিরোধীদের অভিযোগ, ফলাফল ঘোষণার পর আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। তবে এবার বাইরে আসতেই একেবারে উঁচু স্বরে জাহাঙ্গীর দাবি করলেন, তিনি এতদিন এলাকাতেই ছিলেন। ইচ্ছে করেই তিনি প্রকাশ্যে আসেননি।
এদিন তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্য ছিল, ভোটের আগে আলাদা করে প্রচার করার প্রয়োজন হবে বলে তিনি মনে করেন না। কারণ ফলতার মানুষ জানেন সেখানে কী উন্নয়ন হয়েছে। তিনি সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেছেন কিনা সেটা সবাই জানে। তাই আলাদা করে প্রচারে বেরোতে চাইছেন না তিনি। একই সাথে এদিন তৃণমূল প্রার্থী এও বললেন, ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই রাজ্য জুড়ে তৈরি হয়েছে অশান্তির পরিস্থিতি। মূলত সে কারণেই তিনি প্রকাশ্যে আসার থেকে কর্মী, সমর্থকদের নিরাপত্তাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
অবশ্যই পড়ুন: পাহাড়ের উঁচুতে প্রাচীন সতীপীঠ, ঘুরে আসুন গরমের ছুটিতে
এদিন নিজের আত্মগোপনের কারণ ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি পুলিশ অবজারভার আইপিএস অজয় পাল শর্মা সম্পর্কেও কথা বলতে দেখা গেল জাহাঙ্গীরকে। এদিন সঙ্ঘম হিসেবে পরিচিত ওই আইপিএস অফিসারকে কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, “অজয় পাল শর্মা যদি ঠিকভাবে ভোট পরিচালনা করে থাকেন তাহলে এই কেন্দ্রে ফের ভোট করার প্রয়োজন পড়ল কেন? বিজেপির তরফে প্রথমে 32টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলা হয়েছিল। শেষে কমিশন পুরো বিধানসভা কেন্দ্রে নতুন করে ভোট করার সিদ্ধান্ত নেয়।” সবশেষে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর প্রশ্ন করেন, “আসলে ভয়টা কে পেয়েছে আমি নাকি অজয় পাল শর্মা?”










