সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গেরুয়া ঝড়ে (Bharatiya Janata Party) এবার কার্যত বাংলা থেকেই উড়ে গিয়েছে ১৫ বছরের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলার মানুষ পরিবর্তন চেয়েছিল। পরিবর্তন হয়েছে। এখন বাংলা বিজেপির হাতে। তবে ভোট পরবর্তী হিংসায় চারিদিকে উত্তপ্ত পরিস্থিতি। কোথাও পার্টি অফিস দখল, কোথাও ভাঙচুর, এমনকি অনেক জায়গায় মৃত্যুর খবর সামনে আসছে। এবার এ নিয়েই কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)।
কড়া বার্তা শমীকের
সংবাদমাধ্যমকে শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট বলেছেন যে, “বিজেপির পতাকা ব্যবহার করে কোনও রকম হিংসাত্মক কাজ আমরা বরদাস্ত করব না। যারা বিরোধী দলের পার্টি অফিস ভাঙচুর করছে বা অন্যান্য দুষ্কৃতিমূলক কাজ করছে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। সে যত বড় নেতা হোক না কেন। প্রয়োজনে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।” এমনকি তিনি পুলিশ প্রশাসনকে স্পষ্ট বলেছেন, ভোট পরবর্তী হিংসায় যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কোনও রাজনৈতিক দল না দেখেই কড়া পদক্ষেপ নিতে।
শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, “আমরা হিংসার রাজনীতি করি না। কিন্তু বিজেপির পতাকা নিয়ে যদি তৃণমূল তৃণমূলের কর্মীদের উপরেই অত্যাচার করে, ভাঙচুর করে, তাহলে সেই দায় আমাদের নয়। বিজেপি দলটা আমরা অনেক কষ্ট করে তৈরি করেছি। আমি আগেই বলেছিলাম, পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূল সম্পূর্ণ উড়ে গিয়েছে। তবে চলে যাওয়ার ওই মুহূর্তটায় কমিশনকে দায়িত্ব নিতে হবে। তৃণমূলের হাত থেকে তৃণমূলকে বাঁচাতে দায়িত্ব কমিশনকেই নিতে হবে। বিজেপি কিছু করতে পারবে না।”
আরও পড়ুন: ৯ মে ব্রিগেডে শপথগ্রহণ, কে হবেন মুখ্যমন্ত্রী? জানিয়ে দিল বিজেপি
তাঁর সংযোজন, “নিজের পায়ের ঘাম মাথায় ফেলে বিজেপি দলটা তৈরি হয়েছে। দরকার হলে আমি নিজের রাস্তায় নামব। আমাদেরও দু’জন কর্মী মারা গিয়েছে। যদি ফলাফলটা অন্য হত, তাহলে এতক্ষণে ২০০ কর্মী খুন হত, এমনকি হাজার হাজার মহিলা গণধর্ষিতা হতো। তবে হিংসার রাজনীতি যারা করছে, সে বিজেপির যত বড় নেতা হোক না কেন, তাঁদেরকে আমি অ্যারেস্ট করাবই। দরকার হলে আমার সভাপতি পদ ছেড়ে দেব। ডিজে বন্ধ করতে হবে। এটা আমরা কোনওভাবে চালাতে দেবো না। বাংলায় হিংসা চলবে না।”










