পুরভোটের আগে ধাক্কা খেল মমতা তৃণমূল! বড় সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের

Published:

Supreme Court TMC

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দুই বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলের প্রতীক এবং নাম হাতছাড়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। বেছে নিতে হয়েছে নতুন প্রতীক এবং নাম। কাজেই উপনির্বাচনে জোড়া ফুল প্রতীকে লড়তে পারছে না তৃণমূল। এমতাবস্থায় এবার পুরসভা নির্বাচনের আগে বিরাট ধাক্কা খেলো কালীঘাট তৃণমূল। সোমবার দুই তৃণমূলের প্রতীক যুদ্ধ নিয়ে মামলার শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশনকে চার মাস সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, এই সময়ের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে কমিশনকে।

সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তে ধাক্কা খেলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল!

বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হতেই দু’ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছিল তৃণমূল। একটা অংশ থেকে গেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে, আরেকাংশ চলে গিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে। আর তারপরেই তৃণমূলের নাম এবং প্রতীক নিয়ে শুরু হয় দুপক্ষের দড়ি টানাটানি। জল গড়ায় নির্বাচন কমিশনে। শেষ পর্যন্ত কমিশনের তরফে সবদিক বিবেচনা করে তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ করে উভয় পক্ষকেই বিকল্প নাম এবং প্রতীক বেছে নেওয়ার কথা জানানো হয়।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরা বেছে নিয়েছিলেন ফুটবলার প্রতীক এবং দলের নাম রাখা হয়েছে মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে ঋতব্রত তৃণমূল পেয়েছে ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস নাম। সঙ্গে দেওয়া হয়েছে খাম প্রতীক। তবে প্রতীক নিয়ে দুই তৃণমূলের মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। এবার সেই মামলাতেই নির্বাচন কমিশনকে সময় বেঁধে দিল শীর্ষ আদালত।

আরও পড়ুন: “আমাদের বাঁচান..” পাকিস্তানের হাত থেকে রেহাই পেতে ভারতকে সাহায্যের আবেদন বালোচ কন্যার

সূত্রের যা খবর, আগামী নভেম্বর মাসেই হতে পারে পুরসভা ভোট। আর সেই নির্বাচনের আগেই প্রতীক নিয়ে দুই তৃণমূলের মামলার শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিল দুই তৃণমূলের প্রতীক সংঘাত নিয়ে সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য চার মাস সময় পাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এই সময়ের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। এক কথায়, প্রতীক নিয়ে নিষ্পত্তি না হওয়ায় উপনির্বাচনের পর এবার পুরভোটেও খুব সম্ভবত জোড়া ফুল প্রতীক পাবে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলও এই প্রতীক পাবে কিনা তা নিয়েও থেকে গেল সংশয়।

google button