মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে ব্যক্তিগত তথ্য, অভিষেকের মামলা হাইকোর্টেই পাঠাল সর্বোচ্চ আদালত

Published:

Abhishek Banerjee

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর বিভিন্ন থানায় একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে। ইডি থেকে সিবিআই, বিভিন্ন দফতরে তদন্তে সহায়তা করতে হাজিরা দিয়েছেন একাধিকবার। এমনকি সম্প্রতি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে এত এফআইআর থাকলেও বিজেপি কেন জেলে ঢোকাতে পারছে না? তবে সম্প্রতি ব্যক্তিগত এবং তদন্ত সংক্রান্ত বিভিন্ন গোপনীয় তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে, এমন দাবি করেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ। অবশেষে সিদ্ধান্তের কথা জানাল সর্বোচ্চ আদালত।

অভিষেকের আবেদন নিয়ে যা জানাল সুপ্রিম কোর্ট

প্রথমে অভিষেকের অভিযোগ ছিল, তদন্তের অগ্রগতি, ব্যক্তিগত তথ্য আর জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়বস্তু বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত হওয়ায় তদন্ত প্রক্রিয়া প্রভাবিত হচ্ছে। এর পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার এবং সুনাম ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে তদন্ত চলাকালীন পুলিশ এবং তদন্তকারী সংস্থা ও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের দ্বারা তদন্ত সংক্রান্ত নথি এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসছে বলেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ।

অভিষেক দাবি করেন, এই ধরনের তথ্য ফাঁস অবিলম্বে বন্ধ করা হোক অথবা সংবাদমাধ্যমকে নির্দেশ দেওয়া হোক, যাতে মর্যাদা হানি না ঘটে বা তদন্ত প্রক্রিয়া ব্যাহত না হয়, এমন খবর সংবাদমাধ্যমগুলি পরিবেশন করা থেকে বিরত থাকে। কলকাতা হাইকোর্ট জরুরি ভিত্তিতে আবেদনটি শুনতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, এমন দাবি তুলেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ। তবে সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে মঙ্গলবার অভিষেককে আগামী ১৬ নভেম্বর কলকাতা হাইকোর্ট পুনরায় খোলার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নজরে আনার অনুমতি দিয়েছে।

আরও পড়ুন: দীপাবলিতে বিশেষ উপহার রাজ্য সরকারের, আউটসোর্সিং কর্মীদের বেতন বাড়ল দেড়গুণ

পাশাপাশি এদিন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ হাইকোর্টকে অভিষেকের অন্তর্বর্তীকালীন মুক্তির আবেদনটি বিবেচনা করতে অনুরোধ করেছে। অর্থাৎ, গণমাধ্যম সংক্রান্ত করা অভিষেকের মামলার শুনানি হবে রাজ্যের উচ্চ আদালতেই। বলাবাহুল্য, অভিষেকের পক্ষ থেকে শোয়েব আলম সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছিলেন যে রিট পিটিশনটি সেপ্টেম্বরে হাইকোর্টের দাখিল করা হয়েছিল। তবে আদালত বিষয়টি কার্যতালিকাভুক্ত নয় বলে জানায়। এমনকি তিনবার বিষয়টি হাইকোর্টে উত্থাপন করা হলেও সাংসদকে নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে সংবাদমাধ্যমে। আর সেই মামলা এবার হাইকোর্টেই পাঠাল সর্বোচ্চ আদালত।

google button