বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: অতিরিক্ত সময়ের খেলায় ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপ (FIFA World Cup) থেকে বিদায় নিয়েছে নরওয়ে (England Vs Norway)। যে হালান্ডকে নিয়ে এত আশা ভরসা ছিল ভক্তদের তাঁর দল এভাবে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই ছিটকে যাবে এমনটা ভেবে উঠতে পারেননি কেউই। তবে নরওয়ের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ড জয় পেলেও সেই ম্যাচ নিয়ে থেকে গেল বিতর্ক। প্রশ্ন উঠছে ফিফার ভূমিকা নিয়েও। বেশিরভাগ ফুটবল ভক্তের প্রশ্ন, ইংল্যান্ডের যে গোলটা বাতিল হতে পারতো, সেটাকেই গোল হিসেবে ঘোষণা করেছেন রেফারি! এভাবে একদিক থেকে ইংল্যান্ডকে জিতিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার সেই বিতর্কে মুখ খুলল ফিফা।
প্রমাণ দিল ফিফা
রবিবার, ম্যাচ শুরু হতেই দীর্ঘ বল দখলের লড়াইকে সাক্ষী রেখে 36 মিনিটের মাথায় প্রথম গোল করে নরওয়ে। পরবর্তীতে সেই গোল শোধ দিতে উঠে পড়ে লাগে ইংল্যান্ড। খেলা যখন 45 মিনিট ছাড়িয়ে অতিরিক্ত সময়ে অর্থাৎ 45+2 মিনিটে ঠিক তখনই ঘটে গন্ডগোল! প্রথমার্ধের স্টপেজ টাইমে গোল কিক মারেন নরওয়ের গোলকিপার আরিয়ান নিলান। প্রাথমিকভাবে দেখে মনে হয়েছিল ওই বলটি স্পাইক্যামের তারে লেগে দিক পরিবর্তন করেছে। পরবর্তীতে সেই বলে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেটাই গোলে রূপান্তরিত করে ইংল্যান্ড। সেই সূত্রে ম্যাচে সমতায় ফেরে ইংলিশরা।
এদিন ইংল্যান্ডের হয়ে ম্যাচের সমতা ফিরিয়েছিলেন জুড বেলিংহ্যাম। আর তাঁর গোলকেই বৈধ হিসেবে ঘোষণা করেন রেফারি। তবে ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী, খেলা চলাকালীন বল যদি কিছুতে ধাক্কা লাগে তবে সেখানেই খেলা থামিয়ে দিতে হবে। একই সাথে সেই বল ড্রপ করতে হবে রেফারীকে। কিন্তু রবিবারের ম্যাচে এসব কিছুই হল না। খেলা চালিয়ে গেলেন রেফারি। গোটা বিষয়ে হস্তক্ষেপ করল না VAR ও। আর এই ঘটনায় ফিফার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
অবশ্যই পড়ুন: সুইজারল্যান্ড ম্যাচে গোল করতে ব্যর্থ হয়েও বিশ্বের প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বরেকর্ড মেসির
নরওয়ের ভক্তদের একটা বড় অংশের অভিযোগ, ইংল্যান্ডের ওই গোল একেবারেই বৈধ নয়। কিন্তু তাও সেটিকে গোল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আর ফিফার এই ভুলেই হেরেছে নরওয়ে! এদিকে ফিফার তরফে প্রমাণ হিসেবে একটি ভিডিও শেয়ার করে জানানো হয়েছে, বলটি স্পাইক্যামের তারে লেগেছে বলে দাবি করা হলেও ঠিক ওই সময় স্নিকোমিটারের গ্রাফে কোনও বদল হয়নি। ঠিক সেই কারণেই গোলটিকে বৈধ হিসেবে ধরা হয়েছে। তবে ফিফার তরফে প্রমাণ দেওয়া সত্ত্বেও কমেনি বিতর্ক।










