ভেরিফিকেশনে এই ভুলগুলি ধরা পড়লেই মিলবে না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩০০০ টাকা

Published:

Annapurna Bhandar

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আগামী ১ জুন থেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) প্রকল্পের ৩০০০ টাকা করে ঢুকবে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তার ভেরিফিকেশন, যেখানে আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ড আপলোড করতে হচ্ছে। এমনকি রাজ্য সরকার জেলা শাসকদের নির্দেশিকা পাঠিয়েছে যে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের তালিকা যাচাই করতে হবে। আর আগামী ২৫ মে ডেডলাইন দিয়েছে রাজ্য সরকার। তবে এক্ষেত্রে নাম বাদ পড়বে অনেকের। সবাই পাবেন না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ৩০০০ টাকা। জানুন বিশদে।

কাদের নাম বাদ পড়বে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার থেকে?

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই সরকারের তরফ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেই যোগ্যতাগুলো যারা পূরণ করবে না, তাদের নাম বাদ পড়বে। সেগুলি হল—

  • যারা এ দেশের নাগরিক নন, অর্থাৎ অনুপ্রবেশকারী হয়েও লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা নিচ্ছিলেন, তাদের নাম বাদ পড়বে।
  • যারা সরকারি চাকরি করেন কিংবা নিয়মিত বেতন বা পেনশন পান, তাদের নাম এই তালিকা থেকে বাদ পড়বে।
  • যারা বেশি আয়ের জন্য আয়কর প্রদান করেন, তাদের ১ জুন থেকে অ্যাকাউন্টে ৩০০০ টাকা ঢুকবে না।
  • যারা নতুন করে আবেদন জানাবেন, তাদের এই মুহূর্তেই টাকা ঢুকবে না। প্রথমে বিডিও বা এসডিও ভেরফাই করবে। তারপর জেলাশাসকদের কাছে সেই তালিকা পাঠাবে।
  • ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে যাদের বয়স নয়, তাদের নাম এই তালিকা থেকে বাদ পড়বে।
  • যাদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন ডিলিটেড বা অন্য কোনও ভাবে বাদ গিয়েছে, তাদের নাম বাদ পড়বে।
  • যারা সিএএ-র জন্য আবেদন করেছেন বা প্রক্রিয়া চলছে, তারা টাকা পাবেন। কিন্তু বর্তমানে হোল্ডে রাখা হবে। ভোটার তালিকায় নাম যুক্ত হলে তবেই প্রকল্পের টাকা ঢুকবে।

আরও পড়ুন: DA নিয়ে ৩০মে বৈঠক নবান্নে, তার আগে ক্ষোভ কর্মী সংগঠনগুলির! কারণ কী?

নতুন করে কীভাবে আবেদন করবেন?

উল্লেখ্য, যারা লক্ষীর ভান্ডার পেতেন না বা বয়স হয়নি, কিন্তু এবার যোগ্য হয়েছেন, তারা নতুন করে আবেদন করতে পারবেন। এ বিষয়ে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ইতিমধ্যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। সেখানে গিয়ে সরাসরি নতুন ভাবে আবেদন করা যাবে। তবে তার জন্য আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তারপর নিজের ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। তারপর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলি আপলোড করে আবেদন সেরে নিতে হবে। ডকুমেন্টের মধ্যে অবশ্যই আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের কপি, ভোটার কার্ড ইত্যাদি দরকার পড়বে।