গোয়ালপোখরের পামোলে দুর্গামন্দিরে হামলার অভিযোগ, ঘটনার তীব্রতায় উত্তপ্ত এলাকা

Published:

Maa Durga Temple

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: উত্তর দিনাজপুর (North Dinajpur) জেলার গোয়ালপোখরের (Goalpokhar) পামোল (Pamol) এলাকায় দুর্গামন্দিরে (Durga Temple) হামলার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। সম্প্রতি এই নিয়ে সমাজ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে মন্দিরের সামনের রাস্তায় এক জায়গায় আগুন জ্বলতে দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উদ্বেগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। যে ব্যক্তি ভিডিও করছিলেন, তাঁর দাবি মুসলমানেরা এই হামলার পেছনে দায়ী। তারাই দুর্গা মন্দিরে আগুন লাগানোর চেষ্টা করছে।

কী পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিশ?

পরিস্থিতির উত্তাপ বাড়তে থাকায় ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত ভিডিওতে একদল মানুষকে মন্দির ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে, যাতে মন্দিরে আর কোনও হামলা না হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে তীব্র বচসাও চলছে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের ভূমিকা এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা এখন গুরুত্বপূর্ণ।

এর আগেও মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনা সামনে এসেছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে অসমের গোয়ালপাড়ায় দুর্গামন্দির-সহ একটি মন্দির চত্বরে একাধিক প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করার কথা জানিয়েছিল।

আরও পড়ুন: ভাগীরথী নদীর পাড়ে ২০০ মিটার জুড়ে ফাটল, বড় বিপদের আশঙ্কায় আতঙ্ক শান্তিপুরে

ধর্মীয় স্থানের উপর হামলার অভিযোগ কোনওভাবেই হালকাভাবে দেখার বিষয় নয়। মন্দির শুধু উপাসনার স্থান নয়, বহু মানুষের বিশ্বাস, আবেগ ও ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। পামোলের ঘটনায় কারা জড়িত, তা এই মুহূর্তে নির্ভরযোগ্যভাবে জানা যায়নি। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য সামনে আনার দাবি উঠছে। এলাকাবাসীদের প্রত্যাশা, প্রশাসন বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখবে এবং তদন্তে যাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমাণ মিলবে, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক, শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকুক।

google button