৫০ বছর পর খুলল বরানগরের বন্ধ জুটমিল, কর্মসংস্থানের আশায় স্বস্তির হাসি শ্রমিকদের

Published:

Baranagar Jute Mill

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিজেপি সরকার আসতেই খুলছে একের পর এক বন্ধ জুটমিল, স্বস্তির হাওয়া শিল্পাঞ্চলে। আর এবার সেই তালিকায় নাম জুড়ল বরানগরের জুটমিল (Baranagar Jute Mill)। দীর্ঘ ৫০ বছর পর অবশেষে বিজেপি সরকারের হাত ধরে খুলল সেই জুটমিল। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে কাজ, আর এই উদ্যোগে ব্যাপক খুশি কর্মীরা। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা রাজ্যের জুটশিল্পে ফের আশার আলো দেখছেন জেলার শ্রমিকেরা (Jute Mill Workers)।

৫০ বছর পর বরানগরে খুলল জুটমিল

১৫ বছরে তৃণমূল শাসনের পতন ঘটিয়ে রাজ্যে সরকার গড়েছে বিজেপি। আর এই সরকার আসার পর থেকেই তাদের নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলি একে একে পূরণ করার দিকে নজর দিচ্ছেন নেতা মন্ত্রীরা, সেইমতো চলছে কাজ। আর তাই সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে নিজের এলাকার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়লেন বিধায়ক সজল ঘোষ। সম্প্রতি বিজেপি বিধায়কের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে তিনি জানাচ্ছেন, বিগত ৫০ বছর ধরে বরানগরে যে জুটমিল বন্ধ হয়েছিল, সেটি নতুন সরকার আসতেই খুলে গিয়েছে। প্রায় ১ মাস হয়েছে এই কারখানা খোলা হয়েছে, সম্পূর্ণ কাজ এখনই চালু না করা হলেও ধীরে ধীরে চলছে প্রস্তুতি।

কী জানালেন সজল ঘোষ?

কিছুদিন আগেই রাজ্যের ১৮টি বন্ধ জুটমিল পুনরায় চালুর লক্ষ্যে শ্রমমন্ত্রী তথা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের উদ্যোগে একের পর এক মিল খোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আর এবার সেই একই পন্থা অনুসরণ করলেন বিধায়ক সজল ঘোষ। এদিন ভিডিওতে তিনি জানিয়েছেন, “বহু প্রচেষ্টার পর অবশেষে এই মিল খোলা হয়েছে। এই উদ্যোগের পিছনে অনেক নেতা, মন্ত্রীর হাত রয়েছে। কিন্তু এই কারখানা গত ৫০ বছর ধরে বন্ধ থাকায় পুরো কবরখানায় পরিণত হয়েছে, এর জন্য সম্পূর্ণ দায়ী তৃণমূল সরকার এবং সিপিএম সরকার। তবে এবার আমরা কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেব, ভরসা রাখুন।”

আরও পড়ুন: চুঁচুড়ায় অশান্তি পাকানোর অভিযোগ, গ্রেফতার উত্তরপাড়ার প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক শ্রুতিনাথ প্রহরাজ

প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় আসার আগেই বন্ধ জুটমিল খোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। পালাবদলের পরে সেই নিয়েই বড় পদক্ষেপ করেছেন শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং। আর সেই অনুযায়ী চন্দননগরের গোন্দলপাড়া জুট মিল, শ্রীরামপুরের ইন্ডিয়া জুট মিল শ্রীরামপুরের হেস্টিংস জুট মিলের দরজা খোলা হয়েছে। নৈহাটি, কাকিনাড়ার জুটমিলও খোলা হয়েছে। এইভাবে একের পর এক জুটমিল খুলে যাওয়ায় আয়ের সীমা বাড়বে বলেই অনেকের মধ্যে আশা জাগছে।