রাজ্যে ফের চালু হবে বন্ধ প্রাথমিক স্কুল, বড় ঘোষণা স্কুল শিক্ষামন্ত্রীর

Published:

Closed Primary Schools

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ক্ষমতার পালাবদল হতেই এবার রাজ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া সমস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় (Closed Primary Schools) পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিল প্রশাসন। শিশুদের অক্ষরজ্ঞান, পড়ার দক্ষতা এবং প্রাথমিক গণিতের ধারণা আরও উন্নত করার লক্ষ্যে এমনই এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলেন স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন (Dipak Barman)। শনিবার শিলিগুড়িতে এক অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন তিনি। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মেধাতালিকায় অসঙ্গতির অভিযোগও স্বীকার করেছেন এদিন তিনি।

শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল, শনিবার, শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার ভিত মজবুত করতে ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসি ২০২০ অনুযায়ী ফাউন্ডেশনাল লিটারেসি অ্যান্ড নিউমেরেসি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হোটেলে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন। এই অনুষ্ঠানে উত্তরবঙ্গের ন’টি শিক্ষা জেলার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল। মূলত শিশুদের অক্ষরজ্ঞান, পড়ার দক্ষতা, লেখাপড়া এবং প্রাথমিক গণিতের ধারণা উন্নত করার জন্যই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এর ফলে শিক্ষক-শিক্ষিকারা আরও উন্নত পদ্ধতিতে শিশুদের পড়াশোনা শেখাতে পারবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

নিয়োগের অসঙ্গতি নিয়ে মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী

এদিন শিক্ষামন্ত্রী পুরো প্রজেক্টটি ভালোভাবে খতিয়ে দেখেন। এবং তিনি জানান, “ প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা এবং বন্ধ স্কুলগুলি পুনরায় চালুর মাধ্যমে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হবে।” এদিন প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও মুখ খোলেন দীপক বর্মন। তিনি জানান, “প্রাথমিক নিয়োগের পাশাপাশি গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি’র মেধাতালিকাতেও কিছু শংসাপত্র নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। জাতিগত শংসাপত্র শিক্ষাদপ্তর ইস্যু করে না। রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তর এই শংসাপত্র প্রদান করে। তাই সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রশাসনের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন: অভিষেকদের কারণে মাথায় হাত পটুয়াপাড়ার মৃৎশিল্পীদের! প্রতিমা বানালেও কিনতে যাচ্ছেন না কেউ

শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের স্পষ্ট দাবি, “শংসাপত্রে কোনো অসঙ্গতি এবং দুর্নীতিমূলক অভিযোগ থাকলে তদারকি করা হবে। যদি ধরা পরে তাহলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা নতুন সরকার। বৈধ শংসাপত্র না থাকলে সংশ্লিষ্ট নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে। এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ হলে আপার প্রাইমারি এবং একাদশ-দ্বাদশ স্তরেও শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।”

google button