প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সাতসকালে ফের ED অভিযান নবদ্বীপে (Nabadwip)! আজ মণিপুরে সুপারি ব্যবসায়ী অশোক অধিকারীর বাড়ি ও গোডাউনে ভোরের দিকে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তদন্তকারীরা (ED Raids)। সূত্রের খবর, মানি লন্ডারিংয়ের একটি মামলার তদন্তে এই অভিযান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। যদিও এখনও এই তদন্ত অভিযান নিয়ে কোনো আপডেট প্রকাশ্যে আসেনি। চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি গোটা এলাকায় জুড়ে।
ED অভিযান নবদ্বীপে
প্রাপ্ত রিপোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়ার নবদ্বীপ শহরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের মণিপুর এলাকায় সুপারি ব্যবসায়ী অশোক অধিকারীর বাড়িতে ভোর প্রায় পাঁচটা নাগাদ হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ED। চারটি গাড়িতে প্রায় ১২ জন ইডি আধিকারিক এবং সঙ্গে ৪ জন ব্যাংক কর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ব্যবসায়ীর বাড়ি ও কারখানায় মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানা গিয়েছে, অশোক অধিকারীর সুপারি ব্যবসা শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, অসম ও ত্রিপুরাতেও রয়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই ED-র তল্লাশি অভিযান নিয়ে শুরু এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
Nadia, West Bengal: The Enforcement Directorate (ED) conducted early morning raids at the residence and factory of betel nut trader Ashok Adhikari in Nabadwip’s Manipur area. A team of 12 ED officials, along with bank staff, carried out simultaneous searches with central security… pic.twitter.com/hfW1lzDsXT
— IANS (@ians_india) July 3, 2026
মানি লন্ডারিং মামলাতেই চলছে অভিযান
ED সূত্রে জানা গিয়েছে, মানি লন্ডারিংয়ের একটি মামলার তদন্তে ব্যবসায়ী অশোক অধিকারীর যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। তাই সেই তদন্ত খতিয়ে দেখতেই তাঁর বাড়ি ও ব্যবসা সংক্রান্ত একাধিক নথি, আর্থিক লেনদেনের তথ্য এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রথমে বাড়ি এবং সংলগ্ন গোডাউন ঘিরে ফেলা হয়। এরপর শুরু হয় নথিপত্র ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য খতিয়ে দেখার কাজ। প্রয়োজনীয় নথি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। জানা গিয়েছে, ইডি আধিকারিকদের একটি দল নাকি আসামের গৌহাটি থেকে এসেছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই তল্লাশি নিয়ে ইডি বা অশোক অধিকারীর পরিবারের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
আরও পড়ুন: উপকূলের দিকে এগোচ্ছে নিম্নচাপ! কিছুক্ষণেই নামবে তুমুল বৃষ্টি, আবহাওয়ার খবর
বিগত কয়েকদিন ধরেই তোলাবাজি দুর্নীতি সহ একাধিক মামলায় নাম জড়িয়েছে প্রাক্তন তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী, বিধায়ক ও কাউন্সিলরদের নাম। সব্যসাচী দত্ত থেকে শুরু করে দেবরাজ চক্রবর্তী সকলেই এখন পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। এমতাবস্থায় মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় আরও এক ব্যবসায়ীকে ED জেরা করায় তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এখন দেখার এই তদন্তে আর কী কী তথ্য প্রকাশ্যে আসে।










