সবাই পাবেন আবাসের পাকা ঘর, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই করুন মেইল

Published:

Awas Yojana

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের একজন উপভোক্তাও আবাস যোজনার (Awas Yojana) সুবিধা থেকে বাদ যাবে না। প্রত্যেকের মাথার উপর পাকা ছাদ তৈরি করে দেওয়াই রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্য। সেই কারণেই এবার পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ নিজেই বড় উদ্যোগ নিলেন। আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত আবাস প্লাসের সমীক্ষা চলবে বলে খবর। তবে তা সত্ত্বেও এমন অনেক উপভোক্তা রয়েছেন, যাঁদের বাড়িতে হয়তো সরকারি আধিকারিকরা সমীক্ষা করছেন না। তাদেরকে এবার সরাসরি ইমেইলের মাধ্যমে আবেদন জানানোর অনুরোধ পঞ্চায়েত মন্ত্রীর।

আবাস যোজনার সার্ভে না হলে করুন আবেদন

বিগত আড়াই মাস ধরে রাজ্যের গ্রাম-গঞ্জে সরকারি আধিকারিকরা গিয়ে আবাস প্লাসের সমীক্ষা করছেন বলে জানিয়েছেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী। আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত চলবে এই সমীক্ষা। তারপর হয়তো আবার ৫ বছর পর আবাস যোজনার সার্ভে হবে। তবে এই ধাপে যারা বাদ যাবেন তাদেরকে ফের অপেক্ষা করতে হতে পারে। সেই কারণে যাদের বাড়িতে এখনও পর্যন্ত সমীক্ষা হয়নি, তাদের আলাদাভাবে আবেদন জানানোর অনুরোধ করলেন দিলীপ ঘোষ।

তিনি জানিয়েছেন, “আগামী ১৫ আগস্ট সমীক্ষার কাজ শেষ হচ্ছে। আপনার বাড়িতে যদি এখনও সমীক্ষা না হয়, তাহলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আপনার নাম, গ্রামের নাম, গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম, ব্লকের নাম এবং মোবাইল নম্বর ইমেইলে (dilipghosh64@gmail.com) পাঠিয়ে দিন। তবে নিজের স্মার্টফোন না থাকলে পরিবারের কিংবা আশেপাশের কারও মোবাইল থেকেও ইমেইল পাঠাতে পারেন। আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাড়িতে সমীক্ষার জন্য লোক পাঠানোর চেষ্টা করা হবে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে।”

আরও পড়ুন: সোনা, রুপোর দাম নিয়ে ফের অস্বস্তির খবর! আজকের রেট

দিলীপের আরও সংযোজন, “বিগত এক মাস ধরেই বিধায়ক, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কিংবা অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি যাতে কোনও যোগ্য পরিবার সমীক্ষা থেকে বাইরে না পড়ে। তা সত্ত্বেও যদি কোথাও আমাদের কর্মীরা পৌঁছতে না পারে, তাহলে এটাই শেষবারের মতো আপনাদের কাছে নিজের থেকে এগিয়ে আসার আবেদন। মনে রাখবেন, ১৫ আগস্ট সমীক্ষা শেষ হলে পরবর্তী সুযোগ কবে আসবে তা নিশ্চিত নয়। যার কারণে যোগ্য হয়েও বহু মানুষ দীর্ঘদিন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন দফতরের তরফ থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তবে এই উদ্যোগ সকল করতে আপনাদের সহযোগিতা জরুরি।”