আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় (Gaighata) একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। রবিবার সকালে প্রতিবেশীর বাড়ির পিছনের দিকে বাথরুমের কাছে ওই ছাত্রীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গাইঘাটা থানার পুলিশ।
কী বলছে নির্যাতিতার পরিবার?
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে গাইঘাটা বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠান চলছিল। ওই অনুষ্ঠানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গিয়েছিল ছাত্রীটিও। পরিবারের দাবি, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ তার কাছে একটি ফোন আসে। এরপর অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগেই সে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। তারপর থেকে তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
রাতভর খোঁজাখুঁজি করেও ছাত্রীর সন্ধান পাননি পরিবারের সদস্যরা। রবিবার সকালে প্রতিবেশীর বাড়ির পিছনের দিকে তার দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। বাড়ির বাথরুমের কাছ থেকে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
মৃতার পরিবারের এক সদস্যের বক্তব্য অনুযায়ী, আগের রাতে ছাত্রীর সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল। তখন বাড়ি ফিরে যাওয়ার কথা বলা হলেও ছাত্রীটি পরে বান্ধবীর সঙ্গে ফিরবে বলে জানিয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ফিরে আসে, কিন্তু সেই ছাত্রী তখনও বাড়ি না ফেরায় উদ্বেগ তৈরি হয়। সকালে তার মৃত্যুর খবর পান তাঁরা।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ঘটনায় ছাত্রীর এক আত্মীয়কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, কী পরিস্থিতিতে ছাত্রীর মৃত্যু হল এবং তার সঙ্গে অভিযুক্তের সম্পর্ক কী ছিল, সেসব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: বকেয়া DA-র রিপোর্টে উল্লেখ নেই গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের, উদ্বেগে পেনশনভোগীরাও
পুলিশের তদন্তে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। এই রিপোর্ট দেখেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন। তার আগে পুলিশ কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।










